ঢাকা ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হলুদের সঙ্গে কোন কোন উপাদান মিশিয়ে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়? আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা নৌকার মনোনয়ন কেনা ‘ম্যাডাম ফুলি’ এবার ধানের শীষে ভোট চেয়ে মাঠে টাকা দিয়ে ভোট কেনা জামায়াতের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের প্রমাণ: মাহদী আমিন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলেই দেশ বদলে যাবে, অপশাসনের আর কোনো সুযোগ থাকবে না: প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে আমীরে জামায়াতের নির্বাচনী ভাষণ: পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ ভোট দিতে পারছেন না শাকিব-শুভ, জানেন কি অন্য তারকারা কোন এলাকার ভোটার? ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে পাকিস্তানকে আমিরাতের অনুরোধ মেয়েদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করার উদ্যোগ ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেওয়া নিয়ে ইসির সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফুঁসছেন সাংবাদিকরা

৭ বছর পর সমাবেশ মঞ্চে আসছেন খালেদা জিয়া

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৩:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

সাত বছর পর রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচিতে সশরীরে যোগ দিতে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। শরীর সুস্থ থাকলে আগামী ২১ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে তিনি উপস্থিত থাকবেন।

সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আজিজ উলফাত।

তিনি বলেন, ‌‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওই সমাবেশ হবে। ম্যাডাম আমাদের মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে আসবেন। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ২১ ডিসেম্বর আমরা এই মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের আয়োজন করেছি। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া।’

সৈয়দ ইশতিয়াক আজিজ উলফাত বলেন, ‘গতকাল রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমাদের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদসহ আমি ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছি। তিনি প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছেন; বলেছেন, শরীর ভালো থাকলে মুক্তিযোদ্ধাদের এই সমাবেশ তিনি আসবেন। আমাদের প্রত্যাশা ম্যাডাম এই সমাবেশ যোগ দেবেন, ইনশাআল্লাহ।”

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদারও গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের মাধ্যমে দীর্ঘ সাত বছর পর বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত পরিবেশে জনসমক্ষে বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আসছেন।’

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০১৭ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলের এক সমাবেশে ভাষণ দিয়েছিলেন। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি।

তখন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে। ওই বছরের অক্টোবরে হাইকোর্টে আপিল শুনানি শেষে সাজা বেড়ে হয় ১০ বছর। এরপর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও আরও সাত বছরের সাজা হয় বিএনপি নেত্রীর।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর পরিবারের আবেদনে ২০২০ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে খালেদার দণ্ড ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। ওই বছরের ২৫ মার্চ সাময়িক মুক্তি পেয়ে গুলশানের বাসা ফিরোজায় ফেরেন খালেদা। তখন থেকে তিনি সেখানেই আছেন।

এরপর থেকে পরিবারের আবেদনে প্রতি ছয় মাস পরপর বিএনপি নেত্রীর মুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে আসছিল শেখ হাসিনার সরকার। প্রতিবারই তাকে দুটি শর্ত দেওয়া হচ্ছিল। তাকে বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে এবং তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরদিনই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করেন।

পরে নয়াপল্টনে বিএনপির এক সমাবেশে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। আর গত ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

হলুদের সঙ্গে কোন কোন উপাদান মিশিয়ে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়?

৭ বছর পর সমাবেশ মঞ্চে আসছেন খালেদা জিয়া

আপডেট সময় : ০১:৪৩:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪

সাত বছর পর রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচিতে সশরীরে যোগ দিতে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। শরীর সুস্থ থাকলে আগামী ২১ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে তিনি উপস্থিত থাকবেন।

সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আজিজ উলফাত।

তিনি বলেন, ‌‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওই সমাবেশ হবে। ম্যাডাম আমাদের মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে আসবেন। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ২১ ডিসেম্বর আমরা এই মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের আয়োজন করেছি। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া।’

সৈয়দ ইশতিয়াক আজিজ উলফাত বলেন, ‘গতকাল রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমাদের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদসহ আমি ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছি। তিনি প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছেন; বলেছেন, শরীর ভালো থাকলে মুক্তিযোদ্ধাদের এই সমাবেশ তিনি আসবেন। আমাদের প্রত্যাশা ম্যাডাম এই সমাবেশ যোগ দেবেন, ইনশাআল্লাহ।”

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদারও গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের মাধ্যমে দীর্ঘ সাত বছর পর বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত পরিবেশে জনসমক্ষে বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আসছেন।’

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০১৭ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলের এক সমাবেশে ভাষণ দিয়েছিলেন। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি।

তখন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে। ওই বছরের অক্টোবরে হাইকোর্টে আপিল শুনানি শেষে সাজা বেড়ে হয় ১০ বছর। এরপর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও আরও সাত বছরের সাজা হয় বিএনপি নেত্রীর।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর পরিবারের আবেদনে ২০২০ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে খালেদার দণ্ড ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। ওই বছরের ২৫ মার্চ সাময়িক মুক্তি পেয়ে গুলশানের বাসা ফিরোজায় ফেরেন খালেদা। তখন থেকে তিনি সেখানেই আছেন।

এরপর থেকে পরিবারের আবেদনে প্রতি ছয় মাস পরপর বিএনপি নেত্রীর মুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে আসছিল শেখ হাসিনার সরকার। প্রতিবারই তাকে দুটি শর্ত দেওয়া হচ্ছিল। তাকে বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে এবং তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরদিনই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করেন।

পরে নয়াপল্টনে বিএনপির এক সমাবেশে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। আর গত ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।