ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবিরের সাবেক নেতাদের এনসিপিতে ফেরার হিড়িক সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ SIIS Literary Club’ -এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো চার দিনব্যাপী National Literature Festival 2026 বগুড়ায় নীরব ভোট, শেরপুর-৩ এ জামায়াতের বর্জন—নির্বাচনে ছায়া উত্তেজনা কুমিল্লা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ আগুনে ৩ বাস ভস্মীভূত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাচ্ছেন সোহেল রানা অধ্যাদেশ ইস্যুতে উত্তাপ, ড. ইউনূসকে রাস্তায় নামতে বললেন নাহিদ নববর্ষে পরিবর্তন, ‘মঙ্গল’–‘আনন্দ’ ছেঁটে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ ঘোষণা ঘোড়া বিক্রি নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ: ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের প্রতিবাদ হরমুজ প্রণালি সংকটে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে দায়ী করল চীন দাবি আদায়ে আন্দোলন ছাড়া নেই কোনো বিকল্প

বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ— জানালেন মির্জা ফখরুল

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ— জানালেন মির্জা ফখরুল

ইরানে হামলার ঘটনাকে ভয়াবহ মন্তব্য করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা এখন একটা খুব কঠিন সময়ে বাস করছি। যে সময়টা খুবই অস্থির। বিশ্ব রাজনীতিতে ভয়াবহ নৈতিকতার অভাব দেখা যাচ্ছে।’

আজ সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডির ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (আইএসটি) মিলনায়তনে অধ্যাপক শাহিদা রফিকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিনা কারণে একটি দেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ, দেশের প্রধানকে, রাষ্ট্রের প্রধানকে এবং একটি মতবাদের প্রধানকে হত্যা করা, একটা স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে গিয়ে জেলে পুরে দেওয়া– এ এক ভয়াবহ বিশ্ব।

তিনি বলেন, আমরা যারা কিছুটা পুরোনো মানুষ, আমরা বেড়ে উঠেছি গণতান্ত্রিক একটা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে। আমাদের ধ্যান-ধারণা, চিন্তাভাবনার মধ্যে সব সময় গণতান্ত্রিক চিন্তাভাবনাই আছে। আমরা মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করি, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। আমরা প্রতিটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতাতে বিশ্বাস করি। এ রকম মানুষগুলো আমরা এখন অত্যন্ত কষ্টে আছি।

NEWS21
NEWS21

মন্ত্রী বলেন, গত ১৭-১৮ বছরে আমাদের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ফ্যাসিস্ট শক্তি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ধ্বংস করেছে শিক্ষা ব্যবস্থাকে। এটাকে আবার টেনে ওপরে তোলা, প্রতিষ্ঠানগুলোকে গড়ে তোলা, রাষ্ট্রকে জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা, মানুষের অধিকারগুলো প্রতিষ্ঠা করা, ন্যায়ের শাসনকে প্রতিষ্ঠা করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা, আইনের শাসনকে প্রতিষ্ঠা করা– এই বিষয়গুলো সামনে আবার নিয়ে আসতে হবে। আমাদের সে লক্ষ্যেই কাজ করতে হবে। ড. সাহেদের প্রতি আমরা তখনই সম্মান দেখাতে পারব, যখন তার যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তিনি যে কাজগুলো করতে চেয়েছিলেন, যদি আমরা পূরণ করতে পারি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিবিরের সাবেক নেতাদের এনসিপিতে ফেরার হিড়িক

বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ— জানালেন মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০২:১৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ইরানে হামলার ঘটনাকে ভয়াবহ মন্তব্য করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা এখন একটা খুব কঠিন সময়ে বাস করছি। যে সময়টা খুবই অস্থির। বিশ্ব রাজনীতিতে ভয়াবহ নৈতিকতার অভাব দেখা যাচ্ছে।’

আজ সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডির ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (আইএসটি) মিলনায়তনে অধ্যাপক শাহিদা রফিকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিনা কারণে একটি দেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ, দেশের প্রধানকে, রাষ্ট্রের প্রধানকে এবং একটি মতবাদের প্রধানকে হত্যা করা, একটা স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে গিয়ে জেলে পুরে দেওয়া– এ এক ভয়াবহ বিশ্ব।

তিনি বলেন, আমরা যারা কিছুটা পুরোনো মানুষ, আমরা বেড়ে উঠেছি গণতান্ত্রিক একটা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে। আমাদের ধ্যান-ধারণা, চিন্তাভাবনার মধ্যে সব সময় গণতান্ত্রিক চিন্তাভাবনাই আছে। আমরা মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করি, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। আমরা প্রতিটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতাতে বিশ্বাস করি। এ রকম মানুষগুলো আমরা এখন অত্যন্ত কষ্টে আছি।

NEWS21
NEWS21

মন্ত্রী বলেন, গত ১৭-১৮ বছরে আমাদের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ফ্যাসিস্ট শক্তি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ধ্বংস করেছে শিক্ষা ব্যবস্থাকে। এটাকে আবার টেনে ওপরে তোলা, প্রতিষ্ঠানগুলোকে গড়ে তোলা, রাষ্ট্রকে জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা, মানুষের অধিকারগুলো প্রতিষ্ঠা করা, ন্যায়ের শাসনকে প্রতিষ্ঠা করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা, আইনের শাসনকে প্রতিষ্ঠা করা– এই বিষয়গুলো সামনে আবার নিয়ে আসতে হবে। আমাদের সে লক্ষ্যেই কাজ করতে হবে। ড. সাহেদের প্রতি আমরা তখনই সম্মান দেখাতে পারব, যখন তার যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তিনি যে কাজগুলো করতে চেয়েছিলেন, যদি আমরা পূরণ করতে পারি।