দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালে হঠাৎ সামরিক আইন জারি করে রাষ্ট্রদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার অপরাধে তাঁকে এই সাজা দেওয়া হলো।
বৃহস্পতিবার সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের প্রিসাইডিং জাজ জি গুই-ইয়ন বলেন, সামরিক আইন জারির ফলে দেশে সামাজিকভাবে ব্যাপক ক্ষতি হয়। কিন্তু আসামির মধ্যে এ বিষয়ে অনুতপ্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেলিভিশনে আদালতের রায় ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। রায় শুনে ইউনের অনেক সমর্থক হতাশায় চিৎকার করে ওঠেন। কয়েকজন বলেন, ‘কোরিয়া এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে’।

সাবেক প্রেসিডেন্ট নিজে রায় ঘোষণার সময় নির্বিকার ছিলেন। খুব একটা আবেগ প্রকাশ করেননি। তবে এর আগে যুক্তি দিয়েছিলেন, বিরোধী দলের অন্যায়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে তিনি সামরিক আইন জারির চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বিচারক এই যুক্তিতে সন্তুষ্ট হননি।
ইউন সম্ভবত এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। এই মামলা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্তও গড়াতে পারে। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার সময় আদালত চত্বরে কয়েক হাজার সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন। এই উপস্থিতি দেখাচ্ছে রায় ঘিরে দেশটিতে একটি স্পষ্ট বিভাজন তৈরি হয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 


















