ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ১ নং ওয়ার্ডের সিআইখোলা এলাকায় মাদক বিক্রি করতে নিষেধ ৪৪ বছর পর ‘দম’-এ ফিরে সেই স্মরণীয় গান গাইলেন সাবিনা ইয়াসমিন মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য: ইরানের শাসনব্যবস্থায় ভাঙনের আশঙ্কা নেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হলেন নতুন ডেপুটি স্পিকার রানার ঝড়ো গতিতে সাজঘরে ফিরলেন পাকিস্তানের তিন টপ অর্ডার ব্যাটার আলুর বস্তাপ্রতি ২০ টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের বিরুদ্ধে প্রথমবার বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে দেখা যাবে বলিউডের নাতালিয়াকে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ক্রেতাদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ

পাবনায় লেবুর বাজারে আগুন, কেজি প্রতি ২০০ টাকা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

পাবনায় লেবুর বাজারে আগুন, কেজি প্রতি ২০০ টাকা

পাবনা জেলার নয়টি উপজেলার সর্বত্র পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতে না হতেই অস্থির হয়ে উঠেছে নিত্যপণ্যের বাজার। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে রমজান। এর আগেই  ইফতারের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ লেবুর দাম সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে পাবনা জেলার বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি লেবু ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে বুধবার বেড়া পৌর বাজার, নাকালিয়া বাজার ও সিঅ্যান্ডবি বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানকে কেন্দ্র করে লেবুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। খুচরা বাজারে মানভেদে এক হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কেজি দরে কিনতে গেলে ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত।

NEWS21
NEWS21

ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজান আসার কয়েকদিন আগেও লেবুর দাম ছিল বেশ সহনীয়। কিন্তু রোজা শুরু হওয়াকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে রাতারাতি দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বাজারে আসা নজরুল ইসলাম নামে এক সাধারণ ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে রোজা শুরু হবে। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে একটু লেবুর শরবত খাব, তারও উপায় নেই। এক কেজি লেবুর দাম যদি ২০০ টাকা হয়, তবে আমাদের মতো সাধারণ মানুষ কী খাবে? বাজারে কোনো তদারকি নেই, ব্যবসায়ীরা যে যার মতো দাম হাঁকাচ্ছে।”

আরেক ক্রেতা জানান, শুধু লেবু নয়, রোজা শুরুর সাথে সাথে শসা, বেগুন ও কাঁচামরিচের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। প্রশাসনের সঠিক নজরদারি না থাকলে সাধারণ মানুষের জন্য রোজা রাখা এবং পরিবার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়বে।

স্থানীয়রা জানান, রমজানকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পকেট কাটছে সাধারণ মানুষের। এ অবস্থায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর বাজার মনিটরিং এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা এখন সময়ের দাবি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে।

কনজ্যুমারের অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) পাবনা জেলা সরকার সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুব আলম বলেন,  জেলা প্রশাসন এবং ভোক্তা অধিকারের উচিত বাজার অভিযান করে দ্রুত লেবুসহ অন্যান্য পণ্যের দাম কমিয়ে আনা।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন, লেবুর দামসহ অন্যান্য পণ্যের দামের নিবিড় তদারকি করা হচ্ছে। লেবুর বিষয়ে বাজারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে

পাবনায় লেবুর বাজারে আগুন, কেজি প্রতি ২০০ টাকা

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাবনা জেলার নয়টি উপজেলার সর্বত্র পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতে না হতেই অস্থির হয়ে উঠেছে নিত্যপণ্যের বাজার। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে রমজান। এর আগেই  ইফতারের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ লেবুর দাম সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে পাবনা জেলার বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি লেবু ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে বুধবার বেড়া পৌর বাজার, নাকালিয়া বাজার ও সিঅ্যান্ডবি বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানকে কেন্দ্র করে লেবুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। খুচরা বাজারে মানভেদে এক হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কেজি দরে কিনতে গেলে ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত।

NEWS21
NEWS21

ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজান আসার কয়েকদিন আগেও লেবুর দাম ছিল বেশ সহনীয়। কিন্তু রোজা শুরু হওয়াকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে রাতারাতি দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বাজারে আসা নজরুল ইসলাম নামে এক সাধারণ ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে রোজা শুরু হবে। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে একটু লেবুর শরবত খাব, তারও উপায় নেই। এক কেজি লেবুর দাম যদি ২০০ টাকা হয়, তবে আমাদের মতো সাধারণ মানুষ কী খাবে? বাজারে কোনো তদারকি নেই, ব্যবসায়ীরা যে যার মতো দাম হাঁকাচ্ছে।”

আরেক ক্রেতা জানান, শুধু লেবু নয়, রোজা শুরুর সাথে সাথে শসা, বেগুন ও কাঁচামরিচের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। প্রশাসনের সঠিক নজরদারি না থাকলে সাধারণ মানুষের জন্য রোজা রাখা এবং পরিবার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়বে।

স্থানীয়রা জানান, রমজানকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পকেট কাটছে সাধারণ মানুষের। এ অবস্থায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর বাজার মনিটরিং এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা এখন সময়ের দাবি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে।

কনজ্যুমারের অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) পাবনা জেলা সরকার সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুব আলম বলেন,  জেলা প্রশাসন এবং ভোক্তা অধিকারের উচিত বাজার অভিযান করে দ্রুত লেবুসহ অন্যান্য পণ্যের দাম কমিয়ে আনা।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন, লেবুর দামসহ অন্যান্য পণ্যের দামের নিবিড় তদারকি করা হচ্ছে। লেবুর বিষয়ে বাজারে অভিযান চালানো হচ্ছে।