ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অতিরিক্ত কাজকে স্বাভাবিক ভাবা—এই প্রবণতা বন্ধ করা এখন জরুরি মমতার দলের সাবেক সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী হচ্ছেন বাংলাদেশে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত শিবিরের সাবেক নেতাদের এনসিপিতে ফেরার হিড়িক সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ SIIS Literary Club’ -এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো চার দিনব্যাপী National Literature Festival 2026 বগুড়ায় নীরব ভোট, শেরপুর-৩ এ জামায়াতের বর্জন—নির্বাচনে ছায়া উত্তেজনা কুমিল্লা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ আগুনে ৩ বাস ভস্মীভূত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাচ্ছেন সোহেল রানা অধ্যাদেশ ইস্যুতে উত্তাপ, ড. ইউনূসকে রাস্তায় নামতে বললেন নাহিদ নববর্ষে পরিবর্তন, ‘মঙ্গল’–‘আনন্দ’ ছেঁটে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ ঘোষণা ঘোড়া বিক্রি নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ: ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের প্রতিবাদ

আন্দোলনে আহতদের খোঁজ না মেলায় শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির প্রস্তাব

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯২ বার পড়া হয়েছে

আন্দোলনে ‘আহতদের খোঁজ মেলেনি’, শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ধানমন্ডি থানার সাহেদ আলীসহ ১০ জনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ‘আহতদের খোঁজ না পেয়ে’ শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঢাকা মেট্রোপলিন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সূত্রে এ তথ্য পাওয়া যায়।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মোহাম্মদ এ আরাফাত, জুনাইদ আহমেদ পলক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ, শামীম ওসমান, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ ১১৩ জন আসামি।

এর আগে গত ৫ নভেম্বর, তথ্যগত ভুল’ থাকার কথা উল্লেখ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক শাহজাহান ভূঞাঁ। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক রয়েছে।

মূলত, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে সীমান্ত স্কয়ার থেকে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে ৪ অগাস্ট ধানমন্ডি ২৭-এর মীনা বাজারের সামনে

NEW21
NEW21

আহত হন সাহেদ আলী। সেসময় ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ মোট ৯জন আহত হন। এ ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন সাহেদের কথিত ভাই শরীফ। থানা পুলিশ মামলার তদন্তকালে চারজনকে গ্রেফতার করে। এরপর মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই। তদন্তকালে আহতদের খুঁজে পাননি তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ মামলার বাদী শরীফের ভাই সাহেদ আলীসহ অন্যান্য আহতদের সন্ধানের জন্য সীমান্ত স্কয়ার মার্কেট, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ এবং ঘটনাস্থলের আশেপাশের হাসপাতালে চিঠি দিয়ে প্রতিবেদন সংগ্রহ করেন। বাদীকে নোটিশ দিয়ে অনুরোধ করেন তার ভাইকে থানায় হাজির করতে। তবে তাতে সাড়া মেলেনি। মামলা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য বাদীর হাজারীবাগের ভাড়া বাসায় নোটিসশ পাঠানো হয়। তবে বাড়িওয়ালা জানান, শরীফ নামের কাউকে চেনেন না এবং সেখানে থাকে না। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে বের করেন, বাদীর নাম শরিফুল ইসলাম। লক্ষ্মীপুর সদরের মান্দারী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। সেখানে খবর নিলে তাকে কেউ চিনতে পারেননি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাদীর মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর মাঝেমধ্যে খোলা থাকে, আবার কখনো বন্ধও থাকে। হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। বেশ কয়েকদিন অপেক্ষার পর শরীফ ধানমন্ডি লেকের পাশে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা ভুক্তভোগীকে হাজির করতে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র সরবরাহের অনুরোধ জানান। তবে দীর্ঘদিন পার হলেও তিনি ভুক্তভোগীকে হাজির বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র সরবরাহ করেননি। চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য এজাহারেও উল্লেখ করেননি বাদী।

সার্বিক প্রেক্ষাপটে তদন্ত কর্মকর্তা মামলা থেকে শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

অতিরিক্ত কাজকে স্বাভাবিক ভাবা—এই প্রবণতা বন্ধ করা এখন জরুরি

আন্দোলনে আহতদের খোঁজ না মেলায় শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির প্রস্তাব

আপডেট সময় : ১১:৫৬:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ধানমন্ডি থানার সাহেদ আলীসহ ১০ জনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ‘আহতদের খোঁজ না পেয়ে’ শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঢাকা মেট্রোপলিন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সূত্রে এ তথ্য পাওয়া যায়।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মোহাম্মদ এ আরাফাত, জুনাইদ আহমেদ পলক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ, শামীম ওসমান, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ ১১৩ জন আসামি।

এর আগে গত ৫ নভেম্বর, তথ্যগত ভুল’ থাকার কথা উল্লেখ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক শাহজাহান ভূঞাঁ। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক রয়েছে।

মূলত, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে সীমান্ত স্কয়ার থেকে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে ৪ অগাস্ট ধানমন্ডি ২৭-এর মীনা বাজারের সামনে

NEW21
NEW21

আহত হন সাহেদ আলী। সেসময় ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ মোট ৯জন আহত হন। এ ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন সাহেদের কথিত ভাই শরীফ। থানা পুলিশ মামলার তদন্তকালে চারজনকে গ্রেফতার করে। এরপর মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই। তদন্তকালে আহতদের খুঁজে পাননি তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ মামলার বাদী শরীফের ভাই সাহেদ আলীসহ অন্যান্য আহতদের সন্ধানের জন্য সীমান্ত স্কয়ার মার্কেট, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ এবং ঘটনাস্থলের আশেপাশের হাসপাতালে চিঠি দিয়ে প্রতিবেদন সংগ্রহ করেন। বাদীকে নোটিশ দিয়ে অনুরোধ করেন তার ভাইকে থানায় হাজির করতে। তবে তাতে সাড়া মেলেনি। মামলা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য বাদীর হাজারীবাগের ভাড়া বাসায় নোটিসশ পাঠানো হয়। তবে বাড়িওয়ালা জানান, শরীফ নামের কাউকে চেনেন না এবং সেখানে থাকে না। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে বের করেন, বাদীর নাম শরিফুল ইসলাম। লক্ষ্মীপুর সদরের মান্দারী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। সেখানে খবর নিলে তাকে কেউ চিনতে পারেননি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাদীর মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর মাঝেমধ্যে খোলা থাকে, আবার কখনো বন্ধও থাকে। হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। বেশ কয়েকদিন অপেক্ষার পর শরীফ ধানমন্ডি লেকের পাশে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা ভুক্তভোগীকে হাজির করতে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র সরবরাহের অনুরোধ জানান। তবে দীর্ঘদিন পার হলেও তিনি ভুক্তভোগীকে হাজির বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র সরবরাহ করেননি। চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য এজাহারেও উল্লেখ করেননি বাদী।

সার্বিক প্রেক্ষাপটে তদন্ত কর্মকর্তা মামলা থেকে শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।