(সবুজ আকন্দ)
গাইবান্ধা, সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি।
প্রতিটি আসনেই জমজমাট লড়াই, ভোট বিভাজনের শঙ্কা
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধা জেলায় মনোনয়নপত্র জমাদানে রেকর্ড তৈরি হয়েছে। জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে মোট ৪৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিপুল সংখ্যক প্রার্থী অংশ নেওয়ায় প্রতিটি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হওয়ার আভাস মিলছে।
গাইবান্ধা-৫ আসনে সর্বোচ্চ ১১ প্রার্থী
সাঘাটা–ফুলছড়ি নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা-৫ আসনে সবচেয়ে বেশি ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতসহ একাধিক দল ও চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।
গাইবান্ধা-১ ও গাইবান্ধা-৩ আসনে ১০ জন করে
সুন্দরগঞ্জ নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা-১ এবং পলাশবাড়ী–সাদুল্লাপুর নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা-৩ আসনে ১০ জন করে প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। বড় দলগুলোর পাশাপাশি একাধিক ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাঠে থাকায় ভোটের সমীকরণ জটিল হয়ে উঠছে।

গাইবান্ধা-২ আসনে ৮ জন, গাইবান্ধা-৪ আসনে ৬ জন
গাইবান্ধা সদর আসনে ৮ জন এবং গোবিন্দগঞ্জ আসনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এখানেও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি বাম ও ধর্মভিত্তিক দলগুলোর অংশগ্রহণ রয়েছে।
বহুমুখী প্রতিযোগিতা, বাড়ছে অনিশ্চয়তা
মনোনয়নপত্র জমাদানকারীদের মধ্যে রয়েছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, সিপিবি, বাসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্বতন্ত্র প্রার্থী।
ভোট বিভাজনের সম্ভাবনা বেশি—বিশ্লেষকরা
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় কয়েকটি আসনে ভোট বিভাজনের সম্ভাবনা প্রবল। বিশেষ করে গাইবান্ধা-১, গাইবান্ধা-৩ ও গাইবান্ধা-৫ আসনে শেষ মুহূর্তে ফলাফল অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে।
যাচাই-বাছাই চলছে, চূড়ান্ত তালিকা শিগগিরই
জেলা নির্বাচন কার্যালয় জানিয়েছে, মনোনয়নপত্র জমাদান শেষ হলেও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যাচাই শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপরই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা।
মনোনয়নপর্ব শেষ হতেই গাইবান্ধার রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে উত্তাপ। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর নির্বাচনী মাঠ আরও সরগরম হয়ে উঠবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।
প্রতিনিধির নাম 



















