ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ১ নং ওয়ার্ডের সিআইখোলা এলাকায় মাদক বিক্রি করতে নিষেধ ৪৪ বছর পর ‘দম’-এ ফিরে সেই স্মরণীয় গান গাইলেন সাবিনা ইয়াসমিন মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য: ইরানের শাসনব্যবস্থায় ভাঙনের আশঙ্কা নেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হলেন নতুন ডেপুটি স্পিকার রানার ঝড়ো গতিতে সাজঘরে ফিরলেন পাকিস্তানের তিন টপ অর্ডার ব্যাটার আলুর বস্তাপ্রতি ২০ টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের বিরুদ্ধে প্রথমবার বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে দেখা যাবে বলিউডের নাতালিয়াকে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ক্রেতাদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ

‎সুন্দরগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে বাঁশঝাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

‎গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ৭ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (১৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

‎শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

‎এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন- দক্ষিণ ধুমাইটারি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সজিব (২০), একই গ্রামের আনারুলের ছেলে সোহেল রানা (১৮) ও নাহিদ ইসলাম (১৯)।

‎পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রতিবেশি ফুফা হিসেবে সজিবের সাথে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর প্রায় সময়ে মোবাইলে কথা বলতেন । কিন্তু বৃহস্পতিবার সজিব রাতে ওই কিশোরীর সাথে দেখা করতে বলে। শুক্রবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে বাড়িতে থেকে ডেকে নেয় অভিযুক্ত যুবক। গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে বলে তাকে বাড়ির বাহিরে আসতে বলেন। এরপর ওই কিশোরীকে নানা প্রলোভন এ ব্লাকমেইল করে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে নিয়ে যায় সজিব। তারপর পার্ম্ববর্তী চিত্তরঞ্জনের একটি বাঁশ ঝাড়ে নিয়ে গিয়ে প্রথমে সজিব জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে সজিবের দুই বন্ধু নাহিদ ও সোহেল পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এসময় অভিযুক্ত সজিবকে ধাওয়া করে ভুক্তভোগী ওই কিশোরী। পরে দুই পথচারী তার কাছে ঘটনার বিস্তারিত জেনে সেখান থেকে  উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন। তবে, বিষয়টি দীর্ঘ সময় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা।

‎এদিকে, ওই কিশোরী বিকেলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে থানায় ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে আসে। আগামী শনিবার সকালে তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। তবে, চাঞ্চল্যেকর এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

‎ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিম আজাদ জানান, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি অভিযোগ দাখিল করেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে

‎সুন্দরগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে বাঁশঝাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

‎গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ৭ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (১৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

‎শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

‎এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন- দক্ষিণ ধুমাইটারি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সজিব (২০), একই গ্রামের আনারুলের ছেলে সোহেল রানা (১৮) ও নাহিদ ইসলাম (১৯)।

‎পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রতিবেশি ফুফা হিসেবে সজিবের সাথে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর প্রায় সময়ে মোবাইলে কথা বলতেন । কিন্তু বৃহস্পতিবার সজিব রাতে ওই কিশোরীর সাথে দেখা করতে বলে। শুক্রবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে বাড়িতে থেকে ডেকে নেয় অভিযুক্ত যুবক। গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে বলে তাকে বাড়ির বাহিরে আসতে বলেন। এরপর ওই কিশোরীকে নানা প্রলোভন এ ব্লাকমেইল করে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে নিয়ে যায় সজিব। তারপর পার্ম্ববর্তী চিত্তরঞ্জনের একটি বাঁশ ঝাড়ে নিয়ে গিয়ে প্রথমে সজিব জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে সজিবের দুই বন্ধু নাহিদ ও সোহেল পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এসময় অভিযুক্ত সজিবকে ধাওয়া করে ভুক্তভোগী ওই কিশোরী। পরে দুই পথচারী তার কাছে ঘটনার বিস্তারিত জেনে সেখান থেকে  উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন। তবে, বিষয়টি দীর্ঘ সময় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা।

‎এদিকে, ওই কিশোরী বিকেলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে থানায় ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে আসে। আগামী শনিবার সকালে তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। তবে, চাঞ্চল্যেকর এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

‎ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিম আজাদ জানান, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি অভিযোগ দাখিল করেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।