ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে হাজার বিঘা পাকা ধানক্ষেত ব্রিটিশদের ভূমিকা না থাকলে আমেরিকায় ফরাসি ভাষাই হতো প্রধান, ট্রাম্পকে রাজার কটাক্ষ পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ সময়েও কাজের চাপে ব্যস্ত দীপিকা, নেই দম নেওয়ার সুযোগ অন্য দেশকে নির্দেশ দেওয়ার অবস্থায় আর নেই যুক্তরাষ্ট্র: ইরান ঈশাণকোনে রাজনৈতিক অস্থিরতার মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে: সাইফুল হক

গাঁজার পুকুর আগুনে বাঁচালো ঘিওর বাজারকে

৩জুলাই মানিকগঞ্জের ঘিওর বাজারে গতকাল বুধবার রাত সাড়ে দশটার দিকে ভয়াবহ অগ্মিকান্ডে পুড়েছে ১৫টি কাপড়ের দোকান ও ৩টি স্বর্ণকার দোকান। এতে অনুমান সাড়ে তিন কোটি টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে দাবী রয়েছে ব্যবসায়ীদের । ঘিওর বাজারের মোহাম্মদ আলী সড়কের দক্ষিণ অংশে সাউথ ইষ্ট ব্যাংকের পশ্চিম পাশে সাড়িবদ্ধ দোকানগুলোতে এ অগ্মিকান্ড ঘটে। আগুনের সুত্রপাত বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। আহাজারি আর কান্নায় লুটিয়ে পড়েছে ব্যবসায়ীরা। বলছেন অনেকেই এতে নিঃশ^ অসহায় হয়ে পড়েছেন। আগামী ১০ বছরেও এ ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন না। ঘিওর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ১৩ সদস্যের একটি টিম ও দৌলতপুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ১২ সদস্যের টিম সহ মানিকগঞ্জ সদরের তিন সদস্যের সমন্বিত অভিযানে প্রায় দেড় ঘন্টা প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় বড় মসজিদ ও থানা মসজিদের মুসল্লী ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় লোকজন ফায়ার সার্ভিসের সাথে অগ্মি নির্বাপনে সহযোগিতা করে।

ঘিওর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পৌছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত কাজ শুরু করেন। আগুনের স্ফুলিঙ্ক এতো বেশি ছিল যে ফায়ার সার্ভিসের ড্রাম ট্রাকে যে পরিমাণ পানি ছিল তা মুহুর্তের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। একদিকে অপরিকল্পিতভাবে ব্যবস্থাপনায় দোকানপাট গড়ে তোলার কারণে ভিতরে প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছিল না। তবে একেবারে পাশেই একটি বিশাল পুকুর ছিল। যেটা গাঁজার পুকুর নামে পরিচিত। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের মোটরগুলো পুকুরে সংযোগ করে পানি নিক্ষেপনের দ্রুত ব্যবস্থা করে। তিনি আরো বলেন, যদি গাঁজার পুকুরটি না থাকতো তাহলে ভয়াবহ এ অগ্মিকান্ডে হয়তো পুরো বাজার পুড়ে ছাই হয়ে যেতো। গাঁজার পুকুর থাকার কারণেই পুরো বাজারটি বিরাট বিপদের কবল থেকে রক্ষা পেতে সহায়ক ভূমিকার সৃষ্টি করেছে। তাই ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা পুকুরটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যেও মতামত প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে

গাঁজার পুকুর আগুনে বাঁচালো ঘিওর বাজারকে

আপডেট সময় : ০৬:৫২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

৩জুলাই মানিকগঞ্জের ঘিওর বাজারে গতকাল বুধবার রাত সাড়ে দশটার দিকে ভয়াবহ অগ্মিকান্ডে পুড়েছে ১৫টি কাপড়ের দোকান ও ৩টি স্বর্ণকার দোকান। এতে অনুমান সাড়ে তিন কোটি টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে দাবী রয়েছে ব্যবসায়ীদের । ঘিওর বাজারের মোহাম্মদ আলী সড়কের দক্ষিণ অংশে সাউথ ইষ্ট ব্যাংকের পশ্চিম পাশে সাড়িবদ্ধ দোকানগুলোতে এ অগ্মিকান্ড ঘটে। আগুনের সুত্রপাত বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। আহাজারি আর কান্নায় লুটিয়ে পড়েছে ব্যবসায়ীরা। বলছেন অনেকেই এতে নিঃশ^ অসহায় হয়ে পড়েছেন। আগামী ১০ বছরেও এ ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন না। ঘিওর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ১৩ সদস্যের একটি টিম ও দৌলতপুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ১২ সদস্যের টিম সহ মানিকগঞ্জ সদরের তিন সদস্যের সমন্বিত অভিযানে প্রায় দেড় ঘন্টা প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় বড় মসজিদ ও থানা মসজিদের মুসল্লী ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় লোকজন ফায়ার সার্ভিসের সাথে অগ্মি নির্বাপনে সহযোগিতা করে।

ঘিওর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পৌছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত কাজ শুরু করেন। আগুনের স্ফুলিঙ্ক এতো বেশি ছিল যে ফায়ার সার্ভিসের ড্রাম ট্রাকে যে পরিমাণ পানি ছিল তা মুহুর্তের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। একদিকে অপরিকল্পিতভাবে ব্যবস্থাপনায় দোকানপাট গড়ে তোলার কারণে ভিতরে প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছিল না। তবে একেবারে পাশেই একটি বিশাল পুকুর ছিল। যেটা গাঁজার পুকুর নামে পরিচিত। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের মোটরগুলো পুকুরে সংযোগ করে পানি নিক্ষেপনের দ্রুত ব্যবস্থা করে। তিনি আরো বলেন, যদি গাঁজার পুকুরটি না থাকতো তাহলে ভয়াবহ এ অগ্মিকান্ডে হয়তো পুরো বাজার পুড়ে ছাই হয়ে যেতো। গাঁজার পুকুর থাকার কারণেই পুরো বাজারটি বিরাট বিপদের কবল থেকে রক্ষা পেতে সহায়ক ভূমিকার সৃষ্টি করেছে। তাই ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা পুকুরটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যেও মতামত প্রকাশ করেছেন।