ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে হাজার বিঘা পাকা ধানক্ষেত ব্রিটিশদের ভূমিকা না থাকলে আমেরিকায় ফরাসি ভাষাই হতো প্রধান, ট্রাম্পকে রাজার কটাক্ষ পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ সময়েও কাজের চাপে ব্যস্ত দীপিকা, নেই দম নেওয়ার সুযোগ অন্য দেশকে নির্দেশ দেওয়ার অবস্থায় আর নেই যুক্তরাষ্ট্র: ইরান ঈশাণকোনে রাজনৈতিক অস্থিরতার মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে: সাইফুল হক

সদরপুরে অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

সরকারি গাছ কাটতে গেলে উপজেলা পরিষদের রেজুলেশন, টেন্ডার ও বন বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। কিন্তু এসব না করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বন বিভাগ কর্মকর্তাকে অবগত না করে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে গনি খাঁ নামে এক গাছ ব্যাবসায়ীর বিরুদ্ধে।

শুক্রবার সকালে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পিয়াজখালী আঞ্চলিক সড়কের পাশে থাকা একটি শিশুকঠের গাছ কাটার অভিযোগ করে এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাস্তার পাশে জমির মালিক বাবুল বেপারীর পুত্র আজিজুল হাকিম (৩২) নিজে দাঁড়িয়ে থেকে গনি খাঁ ও তার শ্রমিক দিয়ে গাছের বেশীর ভাগ অংশ কেটে ফেলেছে। এসময় তাদের কাছে সরকারি গাছ কাটার অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে তারা জানান, তাদের গাছ কাটার অনুমতি আছে।

এবিষয়ে উপজেলা বনবিভাগ কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলামের কাছে সত্যতা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাউকে গাছ কাটার কোন অনুমতি দেওয়া হয় নাই।তবে সরকারী গাছ কাটার বিষয়ে একটা আবেদন পেয়েছি, আবেদন যাচাই-বাছাই করে অনুমতি যোগ্য হলে পরে গাছ কাটতে পারবে।

অনুমতি ছাড়া সরকারী গাছ কাটার বিষয়ে গনি খাঁ জানান, সরকারী গাছ কাটার ক্ষমতা আমার আছে, আমি বনবিভাগে কাজকরি, বনবিভাগ আমাকে বেতন দেয় এবং সে ক্ষমতা আছে বলেই আমি গাছ কেটেছি।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকিয়া সুলতানাকে অবগত করলে তিনি জানান, সরকারি গাছ কাটার কোন অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে

সদরপুরে অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

সরকারি গাছ কাটতে গেলে উপজেলা পরিষদের রেজুলেশন, টেন্ডার ও বন বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। কিন্তু এসব না করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বন বিভাগ কর্মকর্তাকে অবগত না করে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে গনি খাঁ নামে এক গাছ ব্যাবসায়ীর বিরুদ্ধে।

শুক্রবার সকালে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পিয়াজখালী আঞ্চলিক সড়কের পাশে থাকা একটি শিশুকঠের গাছ কাটার অভিযোগ করে এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাস্তার পাশে জমির মালিক বাবুল বেপারীর পুত্র আজিজুল হাকিম (৩২) নিজে দাঁড়িয়ে থেকে গনি খাঁ ও তার শ্রমিক দিয়ে গাছের বেশীর ভাগ অংশ কেটে ফেলেছে। এসময় তাদের কাছে সরকারি গাছ কাটার অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে তারা জানান, তাদের গাছ কাটার অনুমতি আছে।

এবিষয়ে উপজেলা বনবিভাগ কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলামের কাছে সত্যতা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাউকে গাছ কাটার কোন অনুমতি দেওয়া হয় নাই।তবে সরকারী গাছ কাটার বিষয়ে একটা আবেদন পেয়েছি, আবেদন যাচাই-বাছাই করে অনুমতি যোগ্য হলে পরে গাছ কাটতে পারবে।

অনুমতি ছাড়া সরকারী গাছ কাটার বিষয়ে গনি খাঁ জানান, সরকারী গাছ কাটার ক্ষমতা আমার আছে, আমি বনবিভাগে কাজকরি, বনবিভাগ আমাকে বেতন দেয় এবং সে ক্ষমতা আছে বলেই আমি গাছ কেটেছি।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকিয়া সুলতানাকে অবগত করলে তিনি জানান, সরকারি গাছ কাটার কোন অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি।