ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে হাজার বিঘা পাকা ধানক্ষেত ব্রিটিশদের ভূমিকা না থাকলে আমেরিকায় ফরাসি ভাষাই হতো প্রধান, ট্রাম্পকে রাজার কটাক্ষ পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ সময়েও কাজের চাপে ব্যস্ত দীপিকা, নেই দম নেওয়ার সুযোগ অন্য দেশকে নির্দেশ দেওয়ার অবস্থায় আর নেই যুক্তরাষ্ট্র: ইরান ঈশাণকোনে রাজনৈতিক অস্থিরতার মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে: সাইফুল হক

খালেদা জিয়া সাফজয়ী ফুটবলারদের জন্য অর্থ নয়, প্লট সাজালেন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

খালেদা জিয়া সাফজয়ী ফুটবলারদের জন্য অর্থ নয়, প্লট সাজালেনখালেদা জিয়া সাফজয়ী ফুটবলারদের জন্য অর্থ নয়, প্লট সাজালেন

ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্য পেলেই তার স্বীকৃতিস্বরূপ খেলোয়াড়ের হাতে ওঠে অর্থ। সদ্যপ্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া শুধু অর্থই দেননি, মাথাগোঁজার ঠাই পেতে প্লটও দিয়েছিলেন। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপাজয়ী বাংলাদেশ ফুটবল দলকে সেই সময় পূর্বাচলে প্লট দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া।

২২ বছর আগে বাংলাদেশের প্রথম সাফজয়ী দলের ম্যানেজার ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক ছাইদ হাসান কানন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মঙ্গলবার মারা যাওয়া খালেদা জিয়ার সঙ্গে নিজের অনেক স্মৃতির কথা সমকালের সঙ্গে বলেন কানন।

সাফজয়ী দলকে কেন প্লট দিয়েছেন খালেদা জিয়া সেই প্রসঙ্গে কানন বলেন, ‘‘২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো ফুটবল দলকে কোনো প্রধানমন্ত্রী প্লট দিয়েছিলেন। এরপর তো আমরা অনেককেই দেখেছি; কিন্তু কোনো প্রধানমন্ত্রী ফুটবলারদের এভাবে উৎসাহ দেননি। তিনি বলতেন, ‘প্লেয়াররা গরিব। তারা টাকা আয় করে টাকা রাখতে পারে না। তাদের থাকার জায়গা নেই। তাদের টাকা না দিয়ে জমি দাও।’ এই দূরদর্শিতা চিন্তা করছেন ম্যাডাম। তাদের জমি দেওয়াটাই উত্তম। সেটিই তিনি করেছেন। গণভবনে ডেকে নিয়ে খেলোয়াড়দের খাওয়াতেন, আদর করতেন। খেলা নিয়ে অনেক আলাপ করতেন। রাজনীতি থেকে বের হয়ে এসে খেলাধুলা নিয়ে আলাপ করতে তিনি অনেক আনন্দ পেতেন।’’

ফুটবলে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ট্রফি এসেছিল ১৯৯৫ সালে। সেই সময়ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খালেদা জিয়া। মিয়ানমারে মোনেম মুন্নার (প্রয়াত) নেতৃত্বে চার জাতি শিরোপা জিতে রাতেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল পুরো দলকে।

সেই দলের কনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন হাসান আল মামুন। ৩০ বছর আগের সেই রাতের স্মৃতিচারণ এভাবেই করেন হাসান আল মামুন, ‘মিয়ানমার থেকে দেশে ফেরার দিনই রাতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে ফুটবলারদের ডেকেছিলেন খালেদা জিয়া। আমরা সেখানে গিয়ে মিষ্টিমুখ ও ফুলেল শুভেচ্ছা পেয়েছিলাম। এখনও মনে আছে খালেদা জিয়া আমার নাম জানতে চেয়েছিলেন। ভালো খেলার জন্য প্রশংসা করেছিলেন সবার।’

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে

খালেদা জিয়া সাফজয়ী ফুটবলারদের জন্য অর্থ নয়, প্লট সাজালেন

আপডেট সময় : ০৫:১২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্য পেলেই তার স্বীকৃতিস্বরূপ খেলোয়াড়ের হাতে ওঠে অর্থ। সদ্যপ্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া শুধু অর্থই দেননি, মাথাগোঁজার ঠাই পেতে প্লটও দিয়েছিলেন। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপাজয়ী বাংলাদেশ ফুটবল দলকে সেই সময় পূর্বাচলে প্লট দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া।

২২ বছর আগে বাংলাদেশের প্রথম সাফজয়ী দলের ম্যানেজার ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক ছাইদ হাসান কানন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মঙ্গলবার মারা যাওয়া খালেদা জিয়ার সঙ্গে নিজের অনেক স্মৃতির কথা সমকালের সঙ্গে বলেন কানন।

সাফজয়ী দলকে কেন প্লট দিয়েছেন খালেদা জিয়া সেই প্রসঙ্গে কানন বলেন, ‘‘২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো ফুটবল দলকে কোনো প্রধানমন্ত্রী প্লট দিয়েছিলেন। এরপর তো আমরা অনেককেই দেখেছি; কিন্তু কোনো প্রধানমন্ত্রী ফুটবলারদের এভাবে উৎসাহ দেননি। তিনি বলতেন, ‘প্লেয়াররা গরিব। তারা টাকা আয় করে টাকা রাখতে পারে না। তাদের থাকার জায়গা নেই। তাদের টাকা না দিয়ে জমি দাও।’ এই দূরদর্শিতা চিন্তা করছেন ম্যাডাম। তাদের জমি দেওয়াটাই উত্তম। সেটিই তিনি করেছেন। গণভবনে ডেকে নিয়ে খেলোয়াড়দের খাওয়াতেন, আদর করতেন। খেলা নিয়ে অনেক আলাপ করতেন। রাজনীতি থেকে বের হয়ে এসে খেলাধুলা নিয়ে আলাপ করতে তিনি অনেক আনন্দ পেতেন।’’

ফুটবলে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ট্রফি এসেছিল ১৯৯৫ সালে। সেই সময়ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খালেদা জিয়া। মিয়ানমারে মোনেম মুন্নার (প্রয়াত) নেতৃত্বে চার জাতি শিরোপা জিতে রাতেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল পুরো দলকে।

সেই দলের কনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন হাসান আল মামুন। ৩০ বছর আগের সেই রাতের স্মৃতিচারণ এভাবেই করেন হাসান আল মামুন, ‘মিয়ানমার থেকে দেশে ফেরার দিনই রাতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে ফুটবলারদের ডেকেছিলেন খালেদা জিয়া। আমরা সেখানে গিয়ে মিষ্টিমুখ ও ফুলেল শুভেচ্ছা পেয়েছিলাম। এখনও মনে আছে খালেদা জিয়া আমার নাম জানতে চেয়েছিলেন। ভালো খেলার জন্য প্রশংসা করেছিলেন সবার।’