ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

শেয়ারবাজারে অনলাইন বিনিয়োগের ফাঁদে মানুষ

  • sharmin sanjida
  • আপডেট সময় : ০২:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

ফেসবুক থেকে শুরু করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, ভুয়া ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপে বিনিয়োগ প্রতারণার নতুন ফাঁদ তৈরি হয়েছে অনলাইনে। অল্প সময়ে মোটা মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে এ ফাঁদে টেনে নিচ্ছে একদল প্রতারক। গ‌বেষণা সংস্থা ডিসমিস ল্যাবের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার প্র‌তি‌বেদন‌টি প্রকা‌শিত হয়।

প্রলোভন আর প্রোপাগান্ডা
ডিসমিস ল্যাব জানায়, প্রতারক চক্র প্রথমে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে বিজ্ঞাপন দেয়। সেখানে বলা হয়, অল্প টাকায় দ্রুত মুনাফা পাওয়া সম্ভব। বিজ্ঞাপন দেখে আগ্রহী হলে, তাকে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আনা হয়। সেই গ্রুপে প্রতিদিন ‘বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ’, ‘স্টক মার্কেট প্রশিক্ষণ’ ও ‘লাভের নিশ্চয়তা’ শিরোনামে পোস্ট দেওয়া হয়। গ্রুপে সাজানো প্রশংসাসূচক মন্তব্যও যুক্ত থাকে। এরপর ওই গ্রুপ থেকেই পাঠানো হয় নিবন্ধনের কোড ও লিংক। এতে প্রবেশ করলে দেখা যায়, ভুয়া ওয়েবসাইট বা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, যেখানে বিনিয়োগের নামে টাকা জমা দিতে বলা হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বিকাশ, নগদসহ মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়।

কীভাবে বাঁচবেন এই প্রতারণা থেকে
বিশেষজ্ঞদের মতে, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার আগে যে কোনো প্রতিষ্ঠানের বৈধতা যাচাই করা জরুরি। বিএসইসির অনুমোদিত ব্রোকারেজের বাইরে অন্য কারও কাছে অর্থ বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব বিজ্ঞাপনে অল্প সময়ে শতকরা লাভের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়, সেগুলো সন্দেহজনক বলে ধরে নেওয়া উচিত।
প্রতারকরা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করলেও সাধারণ মানুষকে সতর্ক হতে হবে। কারণ, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়া হলে প্রতারণা প্রমাণ করা ও আইনগত প্রতিকার পাওয়া কঠিন হয়ে যায়।
শেয়ারবাজারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কড়া নজরদারি এবং সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া বিজ্ঞাপন শনাক্তের উদ্যোগ বাড়ানো না গেলে আরও অনেক মানুষ এ ধরনের প্রতারণার শিকার হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

শেয়ারবাজারে অনলাইন বিনিয়োগের ফাঁদে মানুষ

আপডেট সময় : ০২:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

ফেসবুক থেকে শুরু করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, ভুয়া ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপে বিনিয়োগ প্রতারণার নতুন ফাঁদ তৈরি হয়েছে অনলাইনে। অল্প সময়ে মোটা মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে এ ফাঁদে টেনে নিচ্ছে একদল প্রতারক। গ‌বেষণা সংস্থা ডিসমিস ল্যাবের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার প্র‌তি‌বেদন‌টি প্রকা‌শিত হয়।

প্রলোভন আর প্রোপাগান্ডা
ডিসমিস ল্যাব জানায়, প্রতারক চক্র প্রথমে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে বিজ্ঞাপন দেয়। সেখানে বলা হয়, অল্প টাকায় দ্রুত মুনাফা পাওয়া সম্ভব। বিজ্ঞাপন দেখে আগ্রহী হলে, তাকে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আনা হয়। সেই গ্রুপে প্রতিদিন ‘বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ’, ‘স্টক মার্কেট প্রশিক্ষণ’ ও ‘লাভের নিশ্চয়তা’ শিরোনামে পোস্ট দেওয়া হয়। গ্রুপে সাজানো প্রশংসাসূচক মন্তব্যও যুক্ত থাকে। এরপর ওই গ্রুপ থেকেই পাঠানো হয় নিবন্ধনের কোড ও লিংক। এতে প্রবেশ করলে দেখা যায়, ভুয়া ওয়েবসাইট বা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, যেখানে বিনিয়োগের নামে টাকা জমা দিতে বলা হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বিকাশ, নগদসহ মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়।

কীভাবে বাঁচবেন এই প্রতারণা থেকে
বিশেষজ্ঞদের মতে, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার আগে যে কোনো প্রতিষ্ঠানের বৈধতা যাচাই করা জরুরি। বিএসইসির অনুমোদিত ব্রোকারেজের বাইরে অন্য কারও কাছে অর্থ বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব বিজ্ঞাপনে অল্প সময়ে শতকরা লাভের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়, সেগুলো সন্দেহজনক বলে ধরে নেওয়া উচিত।
প্রতারকরা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করলেও সাধারণ মানুষকে সতর্ক হতে হবে। কারণ, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়া হলে প্রতারণা প্রমাণ করা ও আইনগত প্রতিকার পাওয়া কঠিন হয়ে যায়।
শেয়ারবাজারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কড়া নজরদারি এবং সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া বিজ্ঞাপন শনাক্তের উদ্যোগ বাড়ানো না গেলে আরও অনেক মানুষ এ ধরনের প্রতারণার শিকার হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।