ঢাকা ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাসিক নির্বাচনে আলোচনার তুঙ্গে আড়াইহাজারের তরুণ সমাজসেবক রাকিবুল আলম রাকিব শিগগিরই সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের ঘোষণা, জানাল ইরানি গণমাধ্যম খামেনিকে হত্যার ঘটনায় বিক্ষোভে সরব জামায়াত-সিপিবি মার্চের শুরুতেই কালবৈশাখীর দাপট, মাসের শেষে তাপপ্রবাহের আশঙ্কা নারিন্দায় এসির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ তিনজন অভিনেতা আলভীর স্ত্রীর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার খামেনির অবস্থান চিহ্নিত করে সিআইএ, লক্ষ্যবস্তুতে ইসরায়েলের হামলা নারায়ণগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু ও নার্স নিহত হামলা নিয়ে ট্রাম্পের নিশ্চিত বার্তা, সুরক্ষিত স্থানে খামেনি স্বামী-স্ত্রী রূপে প্রথমবার জনসমক্ষে বিজয়-রাশমিকা

সব বই পেতে শিক্ষার্থীদের আরও ১৫ দিনের ধৈর্য, ব্যর্থ এনসিটিবি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

সব বই পেতে শিক্ষার্থীদের আরও ১৫ দিনের ধৈর্য, ব্যর্থ এনসিটিবি

ফের কথা দিয়ে কথা রাখতে পারলো না জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। মাধ্যমিক ও সমমানের সব বই পৌঁছানো যায়নি শিক্ষার্থীদের হাতে। এর আগে, এনসিটিবি’র কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার

জানিয়েছিলেন, ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই সব বই দেয়া হবে। এখন সব শিক্ষার্থীর কাছে বই পৌঁছে দিতে আরও ১৫ দিন সময় চাইছে এনসিটিবি।

গত ২৮ ডিসেম্বর এনসিটিবির অডিটরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে চলতি বছরের পাঠ্যপুস্তকের সফট কপি অনলাইনে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা। তখন প্রশ্ন উঠে বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণে বিলম্ব হওয়ার চাপ সামলাতেই কি এত আয়োজন

করে সফটকপি ওয়েবসাইটে আপলোড। তখন শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই শতভাগ বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাবে। আর অল্প কয়েকদিনের মধ্যে বই পৌঁছে দেয়ার কথা বলেছিল এনসটিবি।

কিন্তু এখনও প্রায় এক কোটি বই পৌঁছায়নি স্কুলে। এতে শিক্ষাবর্ষের প্রথম মাস অনেক বিষয়ের বই ছাড়াই শেষ করতে হবে শিক্ষার্থীদের।

যদিও এনসিটিবি বলছে, যথাসময়ে বই দিতে প্রিন্টার্সগুলোকে তাগাদা দিচ্ছেন তারা। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাহবুবুল হক পাটওয়ারী বলেন, আমরা একদম ছোট পর্যায়ে কাজটা শুরু করেছিলাম। এ সময় একটি প্রেস থেকে এসে জানানো হয়, রাস্তা

NEW21
NEW21

সংস্কার কাজ চলায় তাদের প্রেসের ট্রাক ঢুকতে পারছে না। তখন আমরা সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে কথা বলি—কাজটি এক মাস পিছিয়ে দিলে জাতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। সিটি কর্পোরেশন বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কাজের সময় পিছিয়ে দেয়।

এদিকে, কর্মকর্তাদের দাবি, গত দেড় দশকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে কখনোই শতভাগ বই পৌঁছানো যায়নি। কখনও-কখনও মার্চ এপ্রিল পর্যন্ত সময় লেগেছে। সেই অর্থে এবার ৩০ জানুয়ারির মধ্যে বই গেলেও তা এনসিটিবি’র জন্য নতুন মাইলফলক।

মাহবুবুল হক পাটওয়ারী বলেন, যদি জানুয়ারির মধ্যে সব বই পৌঁছে দেয়া যায় তাহলে এনসিটিবির জন্য একটা বড় অর্জন হবে। গুণগত মান নিশ্চিত করতে আমরা একাধিক ইন্টারভেনশন নিয়েছিলাম। প্রতিটি প্রেসে আমাদের একজন করে মনিটরিং কর্মকর্তা দায়িত্ব

পালন করেছেন; কোথাও কোথাও সেই সংখ্যা দুইজন বা তিনজনও ছিল। তারা কার্যত ২৪ ঘণ্টাই কাজ করেছেন। এই সময়ে তারা কোনো ছুটি নেননি।

ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির জন্য পুনরায় দরপত্র আহ্বান করায় এমন জটিলতা বলে জানিয়েছে এনসিটিবি চেয়ারম্যান। তিনি আরও বলেন, পিপিআর শর্ত অনুযায়ী আমাদেরকে ফেব্রুয়ারির ৪ তারিখ পর্যন্ত সময় দিতে হয়েছে।

উল্লেখ্য, এবার সাধারণের সাথে মাদ্রাসা ও কারিগরি মিলিয়ে ৩০ কোটি আড়াই লাখ বই দেয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

নাসিক নির্বাচনে আলোচনার তুঙ্গে আড়াইহাজারের তরুণ সমাজসেবক রাকিবুল আলম রাকিব

সব বই পেতে শিক্ষার্থীদের আরও ১৫ দিনের ধৈর্য, ব্যর্থ এনসিটিবি

আপডেট সময় : ১২:১৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ফের কথা দিয়ে কথা রাখতে পারলো না জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। মাধ্যমিক ও সমমানের সব বই পৌঁছানো যায়নি শিক্ষার্থীদের হাতে। এর আগে, এনসিটিবি’র কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার

জানিয়েছিলেন, ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই সব বই দেয়া হবে। এখন সব শিক্ষার্থীর কাছে বই পৌঁছে দিতে আরও ১৫ দিন সময় চাইছে এনসিটিবি।

গত ২৮ ডিসেম্বর এনসিটিবির অডিটরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে চলতি বছরের পাঠ্যপুস্তকের সফট কপি অনলাইনে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা। তখন প্রশ্ন উঠে বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণে বিলম্ব হওয়ার চাপ সামলাতেই কি এত আয়োজন

করে সফটকপি ওয়েবসাইটে আপলোড। তখন শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই শতভাগ বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাবে। আর অল্প কয়েকদিনের মধ্যে বই পৌঁছে দেয়ার কথা বলেছিল এনসটিবি।

কিন্তু এখনও প্রায় এক কোটি বই পৌঁছায়নি স্কুলে। এতে শিক্ষাবর্ষের প্রথম মাস অনেক বিষয়ের বই ছাড়াই শেষ করতে হবে শিক্ষার্থীদের।

যদিও এনসিটিবি বলছে, যথাসময়ে বই দিতে প্রিন্টার্সগুলোকে তাগাদা দিচ্ছেন তারা। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাহবুবুল হক পাটওয়ারী বলেন, আমরা একদম ছোট পর্যায়ে কাজটা শুরু করেছিলাম। এ সময় একটি প্রেস থেকে এসে জানানো হয়, রাস্তা

NEW21
NEW21

সংস্কার কাজ চলায় তাদের প্রেসের ট্রাক ঢুকতে পারছে না। তখন আমরা সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে কথা বলি—কাজটি এক মাস পিছিয়ে দিলে জাতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। সিটি কর্পোরেশন বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কাজের সময় পিছিয়ে দেয়।

এদিকে, কর্মকর্তাদের দাবি, গত দেড় দশকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে কখনোই শতভাগ বই পৌঁছানো যায়নি। কখনও-কখনও মার্চ এপ্রিল পর্যন্ত সময় লেগেছে। সেই অর্থে এবার ৩০ জানুয়ারির মধ্যে বই গেলেও তা এনসিটিবি’র জন্য নতুন মাইলফলক।

মাহবুবুল হক পাটওয়ারী বলেন, যদি জানুয়ারির মধ্যে সব বই পৌঁছে দেয়া যায় তাহলে এনসিটিবির জন্য একটা বড় অর্জন হবে। গুণগত মান নিশ্চিত করতে আমরা একাধিক ইন্টারভেনশন নিয়েছিলাম। প্রতিটি প্রেসে আমাদের একজন করে মনিটরিং কর্মকর্তা দায়িত্ব

পালন করেছেন; কোথাও কোথাও সেই সংখ্যা দুইজন বা তিনজনও ছিল। তারা কার্যত ২৪ ঘণ্টাই কাজ করেছেন। এই সময়ে তারা কোনো ছুটি নেননি।

ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির জন্য পুনরায় দরপত্র আহ্বান করায় এমন জটিলতা বলে জানিয়েছে এনসিটিবি চেয়ারম্যান। তিনি আরও বলেন, পিপিআর শর্ত অনুযায়ী আমাদেরকে ফেব্রুয়ারির ৪ তারিখ পর্যন্ত সময় দিতে হয়েছে।

উল্লেখ্য, এবার সাধারণের সাথে মাদ্রাসা ও কারিগরি মিলিয়ে ৩০ কোটি আড়াই লাখ বই দেয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।