নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অফিস করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছান তিনি। এ সময় দলের নেতা-কর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিজের চেম্বারে অফিস করেছেন। বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে দল ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতারা সঙ্গে কথা বলেছেন।
বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবনে বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় অংশ নেন। তার সভাপতিত্বে বৈঠকে সংসদ অধিবেশন নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী নয়াপল্টনে যান।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পরে এই প্রথম দলীয় কার্যালয়ে যান তিনি। দলের চেয়ারম্যানের আসবেন জেনে দুপুর আড়াইটা থেকে নেতা-কর্মী-সমর্থকরা কার্যালয়ের সামনে সমবেত হতে থাকে। বিকেল সাড়ে ৪টার থেকে নয়াপল্টনের সড়কে মানুষের ঢল নামে। নেতা-কর্মীরা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগত’ স্লোগানের মুখর করে রাখে পুরো এলাকায়। এদিকে তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে বিকেলে দলীয় কার্যালয় এলাকায় নেতা-কর্মীদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। দুপুরের পর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা সেখানে জড়ো হন। এর আগে লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর একবার বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়েছিলেন।
সরজমিনে দেখা গেছে, পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সড়কের দুই পাশে এবং সড়ক বিভাজকের ওপরে অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা। তাদের কারও কারও হাতে দলীয় ব্যানার-ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে। ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিচ্ছিন্নভাবে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। এ সময় তারা ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা’সহ তারেক রহমানের নামে স্লোগান দেন।
অন্যদিকে ঢাকা মহানগরের বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিল করতেও দেখা গেছে। নেতা কর্মীদের ভিড়ের কারণে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। সড়কে কোনোরকমে এক লাইনে গাড়ি চলাচল করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।
প্রতিনিধির নাম 






















