ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ধসে প্রাণ গেল ২২ জনের

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ধসে প্রাণ গেল ২২ জনের

থাইল্যান্ডের নাখোন রাচাসিমা প্রদেশে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়লো ক্রেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি নিউজে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২২ জন যাত্রী নিহত হয়েছে।

দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ৭৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা গুরুতর। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রেনের ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারে কাজ করছে।

ভেঙে পড়া ক্রেনটি লাওস সীমান্ত থেকে ব্যাংকক পর্যন্ত একটি দ্রুতগতির রেললাইন নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। শুরুতে পুলিশের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ১২ জন নিহত হওয়ার খবর দেয়। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই নিহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ে।

পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া একটি বগিতে আগুন ধরে যাওয়ার পর সেখানে থাকা আরও সাতজন যাত্রীর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

NEW21
NEW21

স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নাখোন রাচাসিমার পুলিশ সুপার থাচাপোন চিন্নাওয়ং বিবিসিকে জানান, নির্মাণ কাজ চলাকালীন একটি ক্রেন ব্যাংকক থেকে ছেড়ে আসা চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ে।

থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে সংস্থার তথ্যমতে, ট্রেনটিতে মোট ১৯৫ জন যাত্রী থাকার কথা ছিল, যদিও প্রকৃত সংখ্যা কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

থাইল্যান্ডের পরিবহনমন্ত্রী ফিপাত রাতচাকিতপ্রাকর্ন দুর্ঘটনার কারণ জানতে একটি ‘পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের’ নির্দেশ দিয়েছেন।

এই রেললাইনটি মূলত থাইল্যান্ডের অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে। যদিও এতে চীনা প্রযুক্তি ও রোলিং স্টক ব্যবহার করা হবে।

চীন এই রেলপথকে ইউনান প্রদেশের সঙ্গে থাইল্যান্ডের উপসাগরীয় অঞ্চল সংযুক্ত করার একটি কৌশলগত মাধ্যম হিসেবে দেখছে। তবে প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিলম্বের মুখে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, থাইল্যান্ড এই প্রকল্প বাস্তবায়নে খুব একটা তাড়াহুড়ো করছে না, কারণ এটি লাভজনক হবে কি না, তা নিয়ে দেশটির সংশয় রয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ধসে প্রাণ গেল ২২ জনের

আপডেট সময় : ১২:৪২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

থাইল্যান্ডের নাখোন রাচাসিমা প্রদেশে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়লো ক্রেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি নিউজে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২২ জন যাত্রী নিহত হয়েছে।

দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ৭৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা গুরুতর। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রেনের ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারে কাজ করছে।

ভেঙে পড়া ক্রেনটি লাওস সীমান্ত থেকে ব্যাংকক পর্যন্ত একটি দ্রুতগতির রেললাইন নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। শুরুতে পুলিশের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ১২ জন নিহত হওয়ার খবর দেয়। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই নিহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ে।

পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া একটি বগিতে আগুন ধরে যাওয়ার পর সেখানে থাকা আরও সাতজন যাত্রীর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

NEW21
NEW21

স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নাখোন রাচাসিমার পুলিশ সুপার থাচাপোন চিন্নাওয়ং বিবিসিকে জানান, নির্মাণ কাজ চলাকালীন একটি ক্রেন ব্যাংকক থেকে ছেড়ে আসা চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ে।

থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে সংস্থার তথ্যমতে, ট্রেনটিতে মোট ১৯৫ জন যাত্রী থাকার কথা ছিল, যদিও প্রকৃত সংখ্যা কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

থাইল্যান্ডের পরিবহনমন্ত্রী ফিপাত রাতচাকিতপ্রাকর্ন দুর্ঘটনার কারণ জানতে একটি ‘পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের’ নির্দেশ দিয়েছেন।

এই রেললাইনটি মূলত থাইল্যান্ডের অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে। যদিও এতে চীনা প্রযুক্তি ও রোলিং স্টক ব্যবহার করা হবে।

চীন এই রেলপথকে ইউনান প্রদেশের সঙ্গে থাইল্যান্ডের উপসাগরীয় অঞ্চল সংযুক্ত করার একটি কৌশলগত মাধ্যম হিসেবে দেখছে। তবে প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিলম্বের মুখে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, থাইল্যান্ড এই প্রকল্প বাস্তবায়নে খুব একটা তাড়াহুড়ো করছে না, কারণ এটি লাভজনক হবে কি না, তা নিয়ে দেশটির সংশয় রয়েছে।