বঙ্গোপসাগরে শত্রুপক্ষের জাহাজ নিশানা করে চোখের পলকে ছুটে যায় বিধ্বংসী মিসাইল। প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে উঠে জাহাজ ও গভীর সাগরের আশপাশ।
নৌবাহিনীর একেকটি জাহাজ থেকে শত্রুপক্ষকে টার্গেট করে একের পর এক ছুটে যায় বিমান বিধ্বংসী সারফেস টু এয়ার মিসাইল, শোল্ডার লঞ্চ মিসাইল।

সাবমেরিন বিধ্বংসী রকেট ডেপথ চার্জে পানিতে তৈরি হয় বিশাল বিস্ফোরণের দৃশ্য। এক পর্যায়ে তীব্র গতিতে ছুটে আসে নৌবাহিনীর কমান্ডো সোয়াট টিম।
লক্ষ্য দেশের সীমানায় ঢুকে পড়া বহিঃশত্রুর জাহাজ। নিমিষেই সে জাহাজ ঘেরাও করে স্পিডবোট। চলে গোলাগুলি। হেলিকপ্টারে ছুটে আসে বায়ুসেনাও।
টহল দিতে থাকে জাহাজের চারপাশ ঘিরে। কিছুক্ষণের মধ্যে শত্রুদের পরাস্ত করে জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নেয় নৌবাহিনীর সেনারা।
পাঁচদিনের বার্ষিক ফায়ারিং মহড়ায় এভাবেই নিজেদের কর্মদক্ষতা প্রদর্শন করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
NEWS21 Staff Musabbir 

















