ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ১ নং ওয়ার্ডের সিআইখোলা এলাকায় মাদক বিক্রি করতে নিষেধ ৪৪ বছর পর ‘দম’-এ ফিরে সেই স্মরণীয় গান গাইলেন সাবিনা ইয়াসমিন মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য: ইরানের শাসনব্যবস্থায় ভাঙনের আশঙ্কা নেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হলেন নতুন ডেপুটি স্পিকার রানার ঝড়ো গতিতে সাজঘরে ফিরলেন পাকিস্তানের তিন টপ অর্ডার ব্যাটার আলুর বস্তাপ্রতি ২০ টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের বিরুদ্ধে প্রথমবার বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে দেখা যাবে বলিউডের নাতালিয়াকে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ক্রেতাদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ কৃত্রিম ডিজেল সংকটে বিপাকে কৃষক, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়

গাছের সঙ্গে বেঁধে গৃহবধূকে রাতভর নির্যাতন!

  • sharmin sanjida
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়নে গৃহবধূকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাতভর নির্যাতন করা হয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। আজ রোববার সকালে এ খবর লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। 

গত শুক্রবার রাতে গৃহবধূ শেফালী বেগমকে স্বামী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী আমেনা বেগম মারধর করেন। এর পর মধ্যরাতে তাকে বাড়ির উঠানে গাছের সঙ্গে বেঁধে ফের মারধর করা হয়। ভোরে ওই গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন। এ সময় স্থানীয়রা ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। পরে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে প্রতিবেশীরা গৃহবধূর হাতের বাঁধন খুলে দেন। 

ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, একই উপজেলার পাওটানা হাটের নিজতাজ গ্রামে তার বাড়ি। তারা ২০১৪ সালে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে প্রায়ই তাকে নির্যাতন করতেন স্বামী ও সতিন আমেনা। এ কারণে তিনি তার স্বজনদের কাছে প্রায় এক বছর ধরে আশ্রিত ছিলেন। শুক্রবার রাতে তিনি স্বামীর বাড়িতে এলে স্বামী নজরুল বলেন, তাকে তালাক দিয়েছেন। এ সময় তালাকের কাগজ দেখতে চাইলে তার ওপর নির্যাতন শুরু করেন তারা দু’জন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য শাহীন মির্জা সুমন বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। এভাবে একজন নারীকে গাছের সঙ্গে বেধেঁ নির্যাতন করা ঠিক না। ফেসবুকের মাধ্যমে ঘটনা দেখার পর ঘটনাস্থল থেকে ওই গৃহবধূকে নিরাপদে থাকার জন্য তার আত্মীয়ের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্ত নজরুল ইসলামের ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রংপুর মেট্রোপলিটন মাহিগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল কুদ্দুস বলেন, সাংবাদিকের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। নির্যাতনের শিকার ওই নারী এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ১ নং ওয়ার্ডের সিআইখোলা এলাকায় মাদক বিক্রি করতে নিষেধ

গাছের সঙ্গে বেঁধে গৃহবধূকে রাতভর নির্যাতন!

আপডেট সময় : ০৩:০২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়নে গৃহবধূকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাতভর নির্যাতন করা হয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। আজ রোববার সকালে এ খবর লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। 

গত শুক্রবার রাতে গৃহবধূ শেফালী বেগমকে স্বামী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী আমেনা বেগম মারধর করেন। এর পর মধ্যরাতে তাকে বাড়ির উঠানে গাছের সঙ্গে বেঁধে ফের মারধর করা হয়। ভোরে ওই গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন। এ সময় স্থানীয়রা ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। পরে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে প্রতিবেশীরা গৃহবধূর হাতের বাঁধন খুলে দেন। 

ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, একই উপজেলার পাওটানা হাটের নিজতাজ গ্রামে তার বাড়ি। তারা ২০১৪ সালে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে প্রায়ই তাকে নির্যাতন করতেন স্বামী ও সতিন আমেনা। এ কারণে তিনি তার স্বজনদের কাছে প্রায় এক বছর ধরে আশ্রিত ছিলেন। শুক্রবার রাতে তিনি স্বামীর বাড়িতে এলে স্বামী নজরুল বলেন, তাকে তালাক দিয়েছেন। এ সময় তালাকের কাগজ দেখতে চাইলে তার ওপর নির্যাতন শুরু করেন তারা দু’জন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য শাহীন মির্জা সুমন বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। এভাবে একজন নারীকে গাছের সঙ্গে বেধেঁ নির্যাতন করা ঠিক না। ফেসবুকের মাধ্যমে ঘটনা দেখার পর ঘটনাস্থল থেকে ওই গৃহবধূকে নিরাপদে থাকার জন্য তার আত্মীয়ের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্ত নজরুল ইসলামের ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রংপুর মেট্রোপলিটন মাহিগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল কুদ্দুস বলেন, সাংবাদিকের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। নির্যাতনের শিকার ওই নারী এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।