ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

মাদক ব্যবসা , ডাকাতি ও ছিনতাইসহ নানান অপরাধের হোতা রাসেল

মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই সহ নানান অপরাধের হোতা রাসেল। রাজধানী ও নারায়ণঞ্জের বিভিন্ন অঞ্চলে এসব অপরাধ অপকর্ম করে চলছেন। তবে তার নাম পরিচয় অনেকেরই অজানা। একেক জায়গায় একেক ধরনের নাম ব্যবহার করে থাকেন রাসেল।

আর ঠিকানাও সঠিক তথ্য ব্যবহার না করে বিভিন্ন এলাকার ঠিকানা ব্যবহার করেন। তবে বিশেষ সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তার নাম রাসেল। চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের চিরাইও গ্রামের বকাউল বাড়ি।
জানা গেছে, ঢাকার অভিজাত এলাকাগুলোতে এই রাসেলের অংশগ্রহনে বড় ধরনের চুরি, ডাকাতি ঘটে থাকে। রাতের আধাঁরে ফ্ল্যাট বাসায় ঢুকে ডাকাতি করে থাকে। সুযোগ পেলে বড় ধরনের চুরির ঘটনাও সম্পন্ন করে। বিভিন্ন বাসা বাড়িতে ঢুকে মোটরসাইকেল ও অন্যান্য জিনিসপত্রও চুরি করে থাকে এই রাসেল। তার সঙ্গপঙ্গরাও এ কাজে বেশ পারদর্শি। তাদের বিশাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে ডাকাত সর্দার রাসেল। গেল কিছুদিন আগেও নারায়ণঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ এলাকায় ডাকাতি করার পর তার বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা ডাকাতি মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ তাকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয় যে, তিনি ডাকাত সর্দার রাসেল। তার বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলায়। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই মামলা রয়েছে।
তার গ্রামের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একেবারে অল্প সময়ের মধ্যে তিনি বাড়িতে আলিশান বিল্ডিং নির্মাণ করছেন। এমনকি তার চলাফেরার জন্য রয়েছে দামী গাড়ি। এছাড়া চুরি করা একাধিক মোটরসাইকেল দেখা গেছে তার বাড়িতে। চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই করে রাসেল এক কোটিপতি বনে গেছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন   এলাকার পুরো মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন  রাসেল।  এবং বিভিন্ন কৌশল খাটিয়ে মোবাইল ফোনে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন। কেউ গ্রেফতার হলে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন রাসেল। সে কারণে এক যুগ ধরে রাসেল মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন তার কিছু সাঙ্গোপাঙ্গ । দ্রুত তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মাদক ব্যবসা , ডাকাতি ও ছিনতাইসহ নানান অপরাধের হোতা রাসেল

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই সহ নানান অপরাধের হোতা রাসেল। রাজধানী ও নারায়ণঞ্জের বিভিন্ন অঞ্চলে এসব অপরাধ অপকর্ম করে চলছেন। তবে তার নাম পরিচয় অনেকেরই অজানা। একেক জায়গায় একেক ধরনের নাম ব্যবহার করে থাকেন রাসেল।

আর ঠিকানাও সঠিক তথ্য ব্যবহার না করে বিভিন্ন এলাকার ঠিকানা ব্যবহার করেন। তবে বিশেষ সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তার নাম রাসেল। চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের চিরাইও গ্রামের বকাউল বাড়ি।
জানা গেছে, ঢাকার অভিজাত এলাকাগুলোতে এই রাসেলের অংশগ্রহনে বড় ধরনের চুরি, ডাকাতি ঘটে থাকে। রাতের আধাঁরে ফ্ল্যাট বাসায় ঢুকে ডাকাতি করে থাকে। সুযোগ পেলে বড় ধরনের চুরির ঘটনাও সম্পন্ন করে। বিভিন্ন বাসা বাড়িতে ঢুকে মোটরসাইকেল ও অন্যান্য জিনিসপত্রও চুরি করে থাকে এই রাসেল। তার সঙ্গপঙ্গরাও এ কাজে বেশ পারদর্শি। তাদের বিশাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে ডাকাত সর্দার রাসেল। গেল কিছুদিন আগেও নারায়ণঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ এলাকায় ডাকাতি করার পর তার বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা ডাকাতি মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ তাকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয় যে, তিনি ডাকাত সর্দার রাসেল। তার বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলায়। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই মামলা রয়েছে।
তার গ্রামের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একেবারে অল্প সময়ের মধ্যে তিনি বাড়িতে আলিশান বিল্ডিং নির্মাণ করছেন। এমনকি তার চলাফেরার জন্য রয়েছে দামী গাড়ি। এছাড়া চুরি করা একাধিক মোটরসাইকেল দেখা গেছে তার বাড়িতে। চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই করে রাসেল এক কোটিপতি বনে গেছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন   এলাকার পুরো মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন  রাসেল।  এবং বিভিন্ন কৌশল খাটিয়ে মোবাইল ফোনে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন। কেউ গ্রেফতার হলে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন রাসেল। সে কারণে এক যুগ ধরে রাসেল মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন তার কিছু সাঙ্গোপাঙ্গ । দ্রুত তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।