ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কথা নিশ্চিত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, একটি আসন্ন হুমকি নির্মুল করতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে তেহরান
থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে একটি ‘বড় ধরনের সামরিক অভিযান’ শুরু করেছে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো ইরানি শাসনের আসন্ন হুমকি নির্মূল
করার মাধ্যমে আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করা। ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। শনিবার সকালে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের একাধিক স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একটি সূত্রের বরাত দিয়ে
ইসরায়েলি গণমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, এই হামলাগুলো এমন সব লক্ষ্যবস্তুতে চালানো হয়েছে যা ইসরায়েল এবং এই অঞ্চলের জন্য হুমকি স্বরূপ। একজন মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, সময় বাড়ার সঙ্গে

সঙ্গে হামলা অব্যাহত থাকবে। আকাশ ও সমুদ্রপথ- উভয় দিক থেকেই অভিযান চালানো হচ্ছে। ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির বিপ্লবী গার্ড আইআরজিসির ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টরেট এবং তেহরানের কেন্দ্রস্থলের বেশ কিছু
লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। হামলার প্রতিবাদে ইরান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বর্তমানে তেহরানে নেই। একজন
ইরানি কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খামেনিকে একটি ‘নিরাপদ স্থানে’ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, এই অভিযানের পরিকল্পনা কয়েক মাস আগেই করা হয়েছিল।
চূড়ান্ত সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে কয়েক সপ্তাহ আগে।
NEWS 21 STAFF RAFI 








