শীত এলেই সর্দি-কাশি, শরীর ব্যথা, হজমের সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া ত্বক ও চুলের সমস্যাও বেড়ে যায়। এ সময় শরীর সুস্থ ও সতেজ রাখতে আমলকী খেতে পারেন। এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর প্রকৃতির এমন এক উপহার, যা প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ ও ঘরোয়া চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ভিটামিন সির প্রাকৃতিক উৎস
আমলকীতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। শীতকালে নিয়মিত আমলকী খেলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়। সর্দি, কাশি, জ্বর ও ভাইরাল সংক্রমণ প্রতিরোধে এটি খুবই কার্যকর।

হজমশক্তি ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
শীতে অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজমে ভোগেন। আমলকী হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে এবং অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত আমলকী খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকটাই কমে আসে।
ত্বক ও সৌন্দর্যের সহায়ক
শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক রুক্ষ ও নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে। আমলকী ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়, বলিরেখা কমাতে সহায়তা করে। নিয়মিত আমলকী খেলে ত্বক উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত দেখায়। তাই সৌন্দর্যচর্চায়ও আমলকীর গুরুত্ব কম নয়।
চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় কার্যকর
চুল পড়া, খুশকি ও অকালপক্বতা–এই সমস্যাগুলো শীতকালে বেড়ে যায়। আমলকী চুলের গোড়া মজবুত করে, চুলের বৃদ্ধি স্বাভাবিক রাখে এবং খুশকি দূর করতে সহায়তা করে।
হৃৎপিণ্ড সচল এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
আমলকী রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত আমলকী খেলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও কমে।
শরীর উষ্ণ ও কর্মক্ষম রাখে
শীতে শরীর ক্লান্ত ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে। আমলকী শরীরের ভেতরের শক্তি বাড়ায়, কর্মক্ষমতা ধরে রাখে এবং ঠান্ডার প্রভাব কম অনুভূত হয়।
কীভাবে খাবেন আমলকি
কাঁচা আমলকি, আমলকির রস, মধু মিশিয়ে, ভর্তা কিংবা আচার তৈরি করে আমলকী খাওয়া যায়। তবে যাদের গ্যাস্ট্রিক, আলসার বা অতিরিক্ত এসিডিটির সমস্যা রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো
প্রতিনিধির নাম 



















