নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় সরকারি অর্থায়নে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সারাদেশে ন্যায় সমতল ভূমিতে ক্ষুদ্র নিগোষ্ঠী মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষে মুরগী ও নিন্মমানের মুরগির শেড বিতরণে অভিযোগ করেছেন উপকারভোগীরা। তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে ৮৪৩ জন মানুষকে ২০ টি করে সোনালী জাতের মুরগী ও খাবার বিতরণ করেন।
মুরগীর ওজন ৭০০/৮০০ গ্রাম দেওয়ার কথা হলেও দিয়েছে ২৫০/৩০০ গ্রামের অসুস্থ মুরগী। প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে বাড়ি নিয়ে আসতে রাস্তায় ২/৩ টি করে মারা গেছে। এখন অর্ধেকেরও বেশি মুরগী মারা গিয়েছে।
উপকারভোগীরা বলেন, আমাদের অসুস্থ মুরগী দিয়েছে কিন্তু মুরগীর সাথে ঔষুধ দেয়নি ঔষুধ দিলে মুরগী এতোগুলা মারা যেত না ২০ টা মুরগী দিয়েছে বেশী ভাগ মুরগী মারা গিয়েছে আমাদের এভাবে মুরগী না দিলেই পারতো। আমারা মুর্খ মানুষ আমরা কি ঔষুধ খাওয়াবো বুঝতেই পারিনি। আমাদের এ-ই অসুস্থ মুরগী না দিলেই তো পারতো রাতা আমরা চাই বিষয়টি তদন্ত করে দূর্নীতি পরায়ন ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্মকর্তা ডা: আবদুল লতিফ মুরগী ওজন কমের বিষয়ে অস্বীকার করে তিনি বলেন, মুরগী বিতরণ করার পর আমরা বলে দিয়েছি ঠান্ডা, জ্বর, কাশির ঔষুধ দোকান থেকে কিনে খাওয়াতে, এছাও আমাদের টিম সর্বক্ষণিক মাঠে আছে মুরগি গুলোকে ঠিক মতো পরিচর্যা করলে মারা যাওয়ার কথা না। তারপরও বিষয়টি তদন্ত করে দেখবো।
অন্তর আহমেদ, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি 



















