শিরোনাম
আন্দোলনকারীদের দেশে থাকার অধিকার নেই: জাফর ইকবাল স্ত্রীর দাবি নিয়ে স্বামীর বাড়িতে অনশন আগামীকাল সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা শাবি ছাত্রলীগের কক্ষ থেকে পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে ২৭ শতাংশ, আগস্ট থেকে কার্যকর রাবি প্রশাসনকে সময় বেধে দিলেন আন্দোলনকারীরা রংপুর পার্ক মোড়ের নাম ‌‘শহীদ আবু সাঈদ চত্বর’ দিলেন শিক্ষার্থীরা কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, ৩ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু নওগাঁয় কোঠা সংস্কার মিছিল ছাত্রলীগের বাঁধায় পন্ড, উভয় পক্ষের বাহাস জামালপুরে ট্রেন ও সড়ক অবরোধ কফিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার শপথ শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার : সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মানিকগঞ্জের গড়পাড়া ইমাম বাড়িতে পবিত্র আশুরার শোক মিছিল মানিকগঞ্জের গড়পাড়া ইমাম বাড়িতে পবিত্র আশুরার শোক মিছিল বিশ্ব গণমাধ্যমে কোটা আন্দোলনে নিহতের খবর পাসপোর্টের রোকনের ঘরে আলাদিনের চেরাগ নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে লাগামহীন ঘুষ বাণিজ্য : রোহিঙ্গা পাসপোর্টও হয় কোটা সংস্কার আন্দোলনে সমর্থন জানালেন জি এম কাদের পাসপোর্টের রোকনের ঘরে আলাদিনের চেরাগ নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে লাগামহীন ঘুষ বাণিজ্য : রোহিঙ্গা পাসপোর্টও হয়
মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন

ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

বিপুল রায় -কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই, ২০২৪

ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রায় ১ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। আজ বুধবার দুপুর ১২টায় চিলমারী নৌবন্দর পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে নদের পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। চিলমারী ইউনিয়নের করাইবরিশাল, শাখাহাতি মনতোলা এলাকায় গত এক মাসে ভাঙনে গৃহহীন হয়েছে দেড় শতাধিক পরিবার। ঘরবাড়ি সরিয়ে নিয়েছে প্রায় ২০০ পরিবার। এরই মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে শত শত একর আবাদি জমি। এ ছাড়া হুমকিতে রয়েছে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি কমিউনিটি ক্লিনিকসহ অর্ধশত কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত বৈদ্যুতিক সাবমেরিন কেব্‌ল। জানা গেছে, চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের রাজারভিটা, পুঁটিমারি, পুঁটিমারি কাজলডাঙ্গা, রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের নয়াবস, চর উদনা, চর বড়ভিটা, হকের চর, রমনা মডেল ইউনিয়নের মিস্ত্রিপাড়া, রমনা খামার, টোনগ্রাম, ব্যাপারীপাড়া, নয়ারহাট, অষ্টমীর চর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকাসহ নিম্নাঞ্চলের প্রায় ১ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।  স্থানীয়দের অভিযোগ, উজানে ব্রহ্মপুত্র নদের মাঝ থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করায় চিলমারী ইউনিয়নটি তীব্র ভাঙনের মুখে পড়েছে।    সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, চিলমারী ইউনিয়নের করাই বরিশাল, মনতোলা শাখাহাতি এলাকার বাসিন্দারা ঘরবাড়ি, দোকান ভেঙে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছেন। অনেকে কেটে নিচ্ছেন তাঁদের গাছ ও বাঁশ।   চিলমারী ইউনিয়নের করাই বরিশাল এলাকার আমেনা বেগম বলেন, ‘বাড়িতে আগুন লাগলে জমি পাওয়া যায়, কিন্তু নদী ভাঙলে কিছুই পাওয়া যায় না। যেভাবে নদী ভাঙছে, এতে হামার বাড়ি-ঘর-জমি বিলীন হয়া যাইবে, তাই বাড়ি-ঘর ভাঙি নিয়ে যাই। চিন্তায় আছি কই যে থাকমো কিছুই কবার পাবার লাগছি না।’  চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র ভাঙনে ঘরবাড়ি, শত শত একর আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত সাবমেরিন কেব্‌লটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গেলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই।   জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা ত্রাণসহায়তা বিতরণ অব্যাহত রেখেছি।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আবারও পানি বাড়ার ফলে যেসব এলাকা প্লাবিত হচ্ছে, আমরা সেদিকে বাড়তি নজর রাখছি।’  কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা আর দু-এক দিন থেমে থেমে অব্যাহত থাকতে পারে।


এই বিভাগের আরও খবর