সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইন ও পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে আমার বিরুদ্ধে “জব্দ করা ঘোড়া গোপনে বিক্রি” সংক্রান্ত যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়েছে, গত ১৭ মার্চ উদ্ধার করা ৯টি ঘোড়া থানা হেফাজতে থাকার সময় আমি গোপনে ৮টি ঘোড়া বিক্রি করেছি। বাস্তবে ঘটনাটি পুরো ভিন্ন। উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবং যথাযথ বিধি অনুসরণ করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ২৪ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ৩০ মার্চ প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে ঘোড়াগুলো বিক্রি সম্পন্ন হয়। বিক্রির সমুদয় অর্থ সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যাংকে জমা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট নিলাম প্রক্রিয়া শুরুর আগেই আমাকে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) বদলি করা হয়। ফলে “গোপনে বিক্রি” করার অভিযোগটি শুধু অসত্যই নয়, বাস্তবতার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।
এছাড়া, গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মহোদয়ের পক্ষ থেকেও এ ধরনের কোনও মন্তব্য বা অভিযোগ করা হয়নি। অথচ সংবাদে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা পাঠকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।
প্রকৃতপক্ষে, একটি স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আমার পেশাগত সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতির পরিপন্থী এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত।
আমি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, প্রকৃত তথ্য যাচাই করে বিভ্রান্তিকর সংবাদটি সংশোধন/প্রত্যাহার করার জন্য এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের একপেশে ও অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য।
খন্দকার নাসির উদ্দিন
সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
কালিয়াকৈর থানা, গাজীপুর।
প্রতিনিধির নাম 









