রাজধানীর আদাবরে এমব্রয়ডারি কারখানায় চাঁদাবাজি ও হামলার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান রোহান খান রাসেলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে আদাবরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার অপর চারজন হলো- মারুফ, হাসান, রায়হান ও রোমান। পুলিশ বলছে, রাসেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তার নেতৃত্বে এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত।
এমব্রয়ডারি কারখানায় হামলার ঘটনায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এরকম একটা সংবাদ আমার কানেও এসেছে। আমি এটা খোঁজ নিতে বলেছি, তদন্ত করে রিপোর্ট সাবমিট করতে বলেছি। যদি সেরকম কিছু হয়, আমরা এ সমস্ত বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেবো।’

রোববার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আদাবরের মনসুরাবাদ এলাকায় আবির এমব্রয়ডারি কারখানায় শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছিল। এ সময় রাসেল ও তার ৩-৪ জন সহযোগী ওই কারখানায় গিয়ে শ্রমিকদের কাছে চাঁদা দাবি করে। তখন শ্রমিকদের সঙ্গে তাদের তর্কবিতর্ক হয়। রাসেলরা সংখ্যায় কম থাকায় শ্রমিকদের ধাওয়ায় তারা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর রাসেল ও তার গ্রুপের ১২-১৪ জন চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই কারখানায় হামলা চালায়। শ্রমিকদের কাছে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে তারা। হামলায় দুইজন শ্রমিক আহত হন। তারা হামলা করে ফিরে গেল শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা রাত ১০টার দিকে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আদাবর থানার সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করে। রাতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় মামলা হয়।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান সমকালকে বলেন, শনিবার রাতভর অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান রাসেলসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাসেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 




















