নেশার টাকা না পেয়ে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে হালিমা খাতুন নামে এক নারীকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করেছে তারই সাবেক স্বামী। মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌর শহরের আড়পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত হানিফ আলীকে আটক করেছে।
আহত হালিমাকে শুরুতে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি যশোর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হানিফ আলী মাদকাসক্ত। এসব কারণে দুই সপ্তাহ আগে তার সঙ্গে হালিমার বিচ্ছেদ হয়। হালিমা দুই মেয়েকে নিয়ে শহরের আড়পাড়ার ভাড়া বাসায় থাকা শুরু করেন। অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান। তবে বিচ্ছেদের পরও স্ত্রীর ওপর নির্যাতন থামেনি হানিফের। দুই সপ্তাহের মধ্যে কয়েক দফায় হালিমাকে মারধর করেছে সে।
মঙ্গলবার দুপুরে হানিফ হালিমার বাসায় ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে দেয়। প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে হালিমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় হানিফকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন তারা।
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক খালিদ হাসান জানিয়েছেন, হালিমার গলা ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত। তাঁর চিকিৎসার পর্যাপ্ত সাপোর্ট এখানে নেই। তাই যশোর পাঠিয়েছেন।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মাদকাসক্ত হানিফকে আটক করা হয়েছে। হালিমার ভাই থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। সেটিকে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার পর হানিফকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল বুধবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 






















