ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অতিরিক্ত কাজকে স্বাভাবিক ভাবা—এই প্রবণতা বন্ধ করা এখন জরুরি মমতার দলের সাবেক সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী হচ্ছেন বাংলাদেশে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত শিবিরের সাবেক নেতাদের এনসিপিতে ফেরার হিড়িক সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ SIIS Literary Club’ -এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো চার দিনব্যাপী National Literature Festival 2026 বগুড়ায় নীরব ভোট, শেরপুর-৩ এ জামায়াতের বর্জন—নির্বাচনে ছায়া উত্তেজনা কুমিল্লা বাসস্ট্যান্ডে ভয়াবহ আগুনে ৩ বাস ভস্মীভূত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাচ্ছেন সোহেল রানা অধ্যাদেশ ইস্যুতে উত্তাপ, ড. ইউনূসকে রাস্তায় নামতে বললেন নাহিদ নববর্ষে পরিবর্তন, ‘মঙ্গল’–‘আনন্দ’ ছেঁটে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ ঘোষণা ঘোড়া বিক্রি নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ: ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের প্রতিবাদ

ঈদের পর ফের বিস্ফোরণ মিয়ানমারে, কাঁপছে টেকনাফ

মিয়ানমারের রাখাইনে চলমান সংঘাতের জেরে ঈদের আগের দিন রোববার ও ঈদের দিন সোমবার সীমান্তের এপারে কোন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়নি। দুই দিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার সকাল থেকে আবারও এপারে ভেসে আসছে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ। এতে কাঁপছে সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল আটটার পর থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রাত সাড়ে ৮ টা) থেমে থেমে আবারও বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনতে পাচ্ছেন টেকনাফ সীমান্ত এলাকার লোকজন।

সীমান্তের লোকজন জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ছয়টি ও রাত সাড়ে ১২টার দিকে থেমে থেমে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল। রোববার ও সোমবার আর কোন শব্দ শোনা যায়নি। মঙ্গলবার সকাল আটটার পর থেকে আবারও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এতে টেকনাফ পৌরসভা, সদর ও সাবরাং এলাকার বাসিন্দারা কিছুক্ষণ পর থেমে থেমে বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান।
সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নূর হোসেন বলেন, ঈদের দিন পুরো এলাকা শান্ত থাকলেও ঈদের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার সকাল আটটার পর থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত কিছুক্ষণ পর পর থেমে থেমে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। এতে করে এলাকার ঘরবাড়ি কেঁপে উঠছে এবং মনে হয় ভূমিকম্প হচ্ছে। যেভাবে বাড়িঘর কেঁপেছে, যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে।তিনি বলেন, বিস্ফোরণের শব্দে সাবরাংসহ পুরো টেকনাফ কেঁপে ওঠে। এতে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, ঈদের দিনের পর সকাল আটটার পর থেকে মিয়ানমারের ওপারের বিস্ফোরণে এপারের নাইট্যংপাড়া, চৌধুরীপাড়া, জালিয়াপাড়া, কায়ুকখালীয়পাড়া, পল্লানপাড়া, কুলালপাড়া, খানকার ডেইলসহ কয়েকটি গ্রাম কেঁপে ওঠে।

সেন্টমার্টিন ইউপির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, দ্বীপের বাসিন্দারা বর্তমানে ঝুঁকি নিয়ে সাগরপথে চলাচল করতে হচ্ছে। তবে নতুন করে দ্বীপে গোলাগুলি কিংবা গোলার শব্দ শোনা যায়নি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

অতিরিক্ত কাজকে স্বাভাবিক ভাবা—এই প্রবণতা বন্ধ করা এখন জরুরি

ঈদের পর ফের বিস্ফোরণ মিয়ানমারে, কাঁপছে টেকনাফ

আপডেট সময় : ০৫:০৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

মিয়ানমারের রাখাইনে চলমান সংঘাতের জেরে ঈদের আগের দিন রোববার ও ঈদের দিন সোমবার সীমান্তের এপারে কোন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়নি। দুই দিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার সকাল থেকে আবারও এপারে ভেসে আসছে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ। এতে কাঁপছে সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল আটটার পর থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রাত সাড়ে ৮ টা) থেমে থেমে আবারও বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনতে পাচ্ছেন টেকনাফ সীমান্ত এলাকার লোকজন।

সীমান্তের লোকজন জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ছয়টি ও রাত সাড়ে ১২টার দিকে থেমে থেমে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল। রোববার ও সোমবার আর কোন শব্দ শোনা যায়নি। মঙ্গলবার সকাল আটটার পর থেকে আবারও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এতে টেকনাফ পৌরসভা, সদর ও সাবরাং এলাকার বাসিন্দারা কিছুক্ষণ পর থেমে থেমে বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান।
সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নূর হোসেন বলেন, ঈদের দিন পুরো এলাকা শান্ত থাকলেও ঈদের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার সকাল আটটার পর থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত কিছুক্ষণ পর পর থেমে থেমে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। এতে করে এলাকার ঘরবাড়ি কেঁপে উঠছে এবং মনে হয় ভূমিকম্প হচ্ছে। যেভাবে বাড়িঘর কেঁপেছে, যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে।তিনি বলেন, বিস্ফোরণের শব্দে সাবরাংসহ পুরো টেকনাফ কেঁপে ওঠে। এতে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, ঈদের দিনের পর সকাল আটটার পর থেকে মিয়ানমারের ওপারের বিস্ফোরণে এপারের নাইট্যংপাড়া, চৌধুরীপাড়া, জালিয়াপাড়া, কায়ুকখালীয়পাড়া, পল্লানপাড়া, কুলালপাড়া, খানকার ডেইলসহ কয়েকটি গ্রাম কেঁপে ওঠে।

সেন্টমার্টিন ইউপির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, দ্বীপের বাসিন্দারা বর্তমানে ঝুঁকি নিয়ে সাগরপথে চলাচল করতে হচ্ছে। তবে নতুন করে দ্বীপে গোলাগুলি কিংবা গোলার শব্দ শোনা যায়নি।