ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সদরপুরে সরকারি জায়গা দখলমুক্ত, জনমনে স্বস্তি

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় জনজীবনে স্বস্তি ফেরাতে ও চলাচলের দুর্ভোগ কমাতে সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা ও ফুটপাতে ভাসমান হকার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত।

রবিবার ( ২০ এপ্রিল ) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবানা তানজিন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযানে উপজেলা সদরের বিভিন্ন রাস্তার পাশে ফুটপাত এবং সরকারি জায়গায় অবৈধ দোকান ও অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়া রাস্তার পাশের বিভিন্ন দোকানের সামনের বর্ধিত অংশ ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেন।

সুজন বেপারী নামের এক পথচারী জানান, এ অভিযান দুর্ভোগ কমে জনসাধারনের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে বলে মনে করি। অবৈধ স্থাপনার কারণে চলাচলে অনেক কষ্ট হতো।

আবুল হোসেন নামের জনৈক ব্যক্তি বলেন, এধরণে উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানাই। এখন লোকজন সুন্দর ভাবে চলাচল করতে পারবে।

উচ্ছেদ অভিযানে পরিচালনাকালে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারী, সদরপুর থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মী এবং স্থানীয় উৎসুক জনতা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা জানান, জনজীবনে স্বস্তি ফেরাতে অবৈধ স্থাপনা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সদরপুরে সরকারি জায়গা দখলমুক্ত, জনমনে স্বস্তি

আপডেট সময় : ১০:০৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় জনজীবনে স্বস্তি ফেরাতে ও চলাচলের দুর্ভোগ কমাতে সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা ও ফুটপাতে ভাসমান হকার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত।

রবিবার ( ২০ এপ্রিল ) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবানা তানজিন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযানে উপজেলা সদরের বিভিন্ন রাস্তার পাশে ফুটপাত এবং সরকারি জায়গায় অবৈধ দোকান ও অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়া রাস্তার পাশের বিভিন্ন দোকানের সামনের বর্ধিত অংশ ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেন।

সুজন বেপারী নামের এক পথচারী জানান, এ অভিযান দুর্ভোগ কমে জনসাধারনের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে বলে মনে করি। অবৈধ স্থাপনার কারণে চলাচলে অনেক কষ্ট হতো।

আবুল হোসেন নামের জনৈক ব্যক্তি বলেন, এধরণে উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানাই। এখন লোকজন সুন্দর ভাবে চলাচল করতে পারবে।

উচ্ছেদ অভিযানে পরিচালনাকালে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারী, সদরপুর থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মী এবং স্থানীয় উৎসুক জনতা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা জানান, জনজীবনে স্বস্তি ফেরাতে অবৈধ স্থাপনা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।