ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এক সপ্তাহ ধরে লোডশেডিংয়ে নাকাল চট্টগ্রামবাসী

  • Meghla
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

অসহনীয় লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত বন্দর নগরী চট্টগ্রামের জনজীবন। চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গত এক সপ্তাহে ১০-২০ বার পর্যন্ত বিদ্যুতের আসা যাওয়া অভিযোগ পাওয়া গেছে। একবার চলে গেলে ৫-৩০ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দেখা মিলছেনা।

নগরীর চকবাজার, বাকলিয়া, কাজীর দেউড়ি, হালিশহর, বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্রমাগত লোডশেডিংয়ে গ্রাহকরা ভোগান্তিতে পড়লেও বিদ্যুৎ বিভাগের মতে কোনও লোডশেডিং নেই।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কাছ থেকে গত ৫ দিনের বিদ্যুতের চাহিদা, সরবরাহ ও ঘাটতির চিত্র পাওয়া গেছে। সেখানে দেখা গেছে- গত ১৪ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামে বিদ্যুতের চাহিদা ছিলো ১০২৪ মেগাওয়াট, সরবরাহও ছিলো একই। সন্ধ্যা ৭টায় চাহিদা ছিলো ১১৬৮ মেগাওয়াট, সরবরাহ ছিলো সমপরিমাণ। ফলে পিডিবি’র হিসেবে সেদিন কোনো লোডশেডিং ছিলোনা।

একইভাবে ১৫ এপ্রিল সকাল ১১টায় ৯৫০ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা ৭টায় ১২১৪ মেগাওয়াট চাহিদা ছিলো। দুই বেলাতেই সমপরিমাণ সরবরাহ ছিলো। ১৬ এপ্রিল সকালে ৯৬৭ মেগাওয়াট, সন্ধ্যায় ১১৪৫ মেগাওয়াট চাহিদা ছিলো, সরবরাহও ছিলো সমপরিমাণ।

১৭ এপ্রিল সকালে ১০২৪ মেগাওয়াট, বিকেলে ১০৮৭ মেগাওয়াট চাহিদা ছিলো, সরবরাহও ছিলো একই। ১৮ এপ্রিল সকালে ৮৩৮ মেগাওয়াট, বিকেলে ৮১০ মেগাওয়াট চাহিদা ছিলো, সরবরাহও ছিলো সমপরিমাণ। সর্বশেষ গতকাল শনিবার (১৯ এপ্রিল) চাহিদা ও সরবরাহের হিসেব পাওয়া যায়নি। তবে সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবার (১৯ এপ্রিল) চট্টগ্রামে শূন্য লোডশেডিং ছিলো।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পিডিবি’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প ও স সার্কেল (উত্তর) প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম মৃধা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, উৎপাদনের ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলে সেটাকে লোডশেডিং ধরা হয়। এই ধরণের কোনো লোডশেডিং চট্টগ্রামে এই মূহুর্তে নেই। তবে বিদ্যুতের আসা যাওয়া থাকতে পারে। সেটা অনেক কারণেই হয়।

তিনি আরও বলেন, এখানকার লাইনগুলো ওভারহেড (মাটির উপরে) লাইন। ফলে লাইনে প্রায়ই নানা ঝটিলতা আসে। তখন গিয়ে লাইন মেরামত করতে হয়। মেরামতের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়। এ কারণে এমনটা হতে পারে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এক সপ্তাহ ধরে লোডশেডিংয়ে নাকাল চট্টগ্রামবাসী

আপডেট সময় : ১২:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

অসহনীয় লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত বন্দর নগরী চট্টগ্রামের জনজীবন। চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গত এক সপ্তাহে ১০-২০ বার পর্যন্ত বিদ্যুতের আসা যাওয়া অভিযোগ পাওয়া গেছে। একবার চলে গেলে ৫-৩০ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দেখা মিলছেনা।

নগরীর চকবাজার, বাকলিয়া, কাজীর দেউড়ি, হালিশহর, বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্রমাগত লোডশেডিংয়ে গ্রাহকরা ভোগান্তিতে পড়লেও বিদ্যুৎ বিভাগের মতে কোনও লোডশেডিং নেই।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কাছ থেকে গত ৫ দিনের বিদ্যুতের চাহিদা, সরবরাহ ও ঘাটতির চিত্র পাওয়া গেছে। সেখানে দেখা গেছে- গত ১৪ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামে বিদ্যুতের চাহিদা ছিলো ১০২৪ মেগাওয়াট, সরবরাহও ছিলো একই। সন্ধ্যা ৭টায় চাহিদা ছিলো ১১৬৮ মেগাওয়াট, সরবরাহ ছিলো সমপরিমাণ। ফলে পিডিবি’র হিসেবে সেদিন কোনো লোডশেডিং ছিলোনা।

একইভাবে ১৫ এপ্রিল সকাল ১১টায় ৯৫০ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা ৭টায় ১২১৪ মেগাওয়াট চাহিদা ছিলো। দুই বেলাতেই সমপরিমাণ সরবরাহ ছিলো। ১৬ এপ্রিল সকালে ৯৬৭ মেগাওয়াট, সন্ধ্যায় ১১৪৫ মেগাওয়াট চাহিদা ছিলো, সরবরাহও ছিলো সমপরিমাণ।

১৭ এপ্রিল সকালে ১০২৪ মেগাওয়াট, বিকেলে ১০৮৭ মেগাওয়াট চাহিদা ছিলো, সরবরাহও ছিলো একই। ১৮ এপ্রিল সকালে ৮৩৮ মেগাওয়াট, বিকেলে ৮১০ মেগাওয়াট চাহিদা ছিলো, সরবরাহও ছিলো সমপরিমাণ। সর্বশেষ গতকাল শনিবার (১৯ এপ্রিল) চাহিদা ও সরবরাহের হিসেব পাওয়া যায়নি। তবে সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবার (১৯ এপ্রিল) চট্টগ্রামে শূন্য লোডশেডিং ছিলো।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পিডিবি’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প ও স সার্কেল (উত্তর) প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম মৃধা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, উৎপাদনের ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলে সেটাকে লোডশেডিং ধরা হয়। এই ধরণের কোনো লোডশেডিং চট্টগ্রামে এই মূহুর্তে নেই। তবে বিদ্যুতের আসা যাওয়া থাকতে পারে। সেটা অনেক কারণেই হয়।

তিনি আরও বলেন, এখানকার লাইনগুলো ওভারহেড (মাটির উপরে) লাইন। ফলে লাইনে প্রায়ই নানা ঝটিলতা আসে। তখন গিয়ে লাইন মেরামত করতে হয়। মেরামতের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়। এ কারণে এমনটা হতে পারে।