ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের ব্যাংক লেনদেন নিয়ে তদন্ত শুরু

মরদেহ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের দণ্ড

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬১ বার পড়া হয়েছে

মরদেহ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের দণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শেষ দিন ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনার দায়ে স্থানীয় সাবেক এমপি পলাতক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

NEWS21
NEWS21

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন- আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এফ এম সায়েদ (রনি), সাবেক এসআই আব্দুল মালেক, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা, স্থানীয় যুবলীগ ক্যাডার রনি ভূঁইয়া ও কনস্টেবল মুকুল।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহিল কাফি, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, সাবেক ইন্সপেক্টর আরাফাত হোসেন, সাবেক পরিদর্শক মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান রিপন ও সাবেক পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস।

 

এছাড়া সাবেক এসআই আরাফাত উদ্দিন ও এএসআই কামরুল হাসানকে সাত বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ মামলায় রাজ সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক এসআই শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা করে দিয়েছেন।

ট্রাইব্যুনালে অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন সাড়ে ১২টার দিকে এ মামলায় গ্রেপ্তার আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় তোলা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত রায় পড়েন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ মামলায় মোট ১৬ আসামির মধ্যে ৮ জন পলাতক। বাকি ৮ জন রায় পড়ার সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২।
এ ঘটনায় শহীদ হয়েছেন সাতজন। তারা হলেন- সাজ্জাদ হোসেন সজল, আস সাবুর, তানজিল মাহমুদ সুজয়, বায়েজিদ বোস্তামী, আবুল হোসেন, ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ শাহাবুল ইসলাম।

গত বছরের ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। সে সময় উপস্থিত আট আসামির সাতজনই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন এসআই শেখ আবজালুল হক। একই বছরের ২ জুলাই প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। অভিযোগের সঙ্গে অন্যান্য তথ্যসূত্র হিসেবে ৩১৩ পৃষ্ঠা, দালিলিক প্রমাণাদি ১৬৮ পৃষ্ঠা ও দুটি পেনড্রাইভ যুক্ত করে প্রসিকিউশন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ

মরদেহ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের দণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শেষ দিন ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনার দায়ে স্থানীয় সাবেক এমপি পলাতক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

NEWS21
NEWS21

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন- আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এফ এম সায়েদ (রনি), সাবেক এসআই আব্দুল মালেক, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা, স্থানীয় যুবলীগ ক্যাডার রনি ভূঁইয়া ও কনস্টেবল মুকুল।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহিল কাফি, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, সাবেক ইন্সপেক্টর আরাফাত হোসেন, সাবেক পরিদর্শক মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান রিপন ও সাবেক পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস।

 

এছাড়া সাবেক এসআই আরাফাত উদ্দিন ও এএসআই কামরুল হাসানকে সাত বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ মামলায় রাজ সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক এসআই শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা করে দিয়েছেন।

ট্রাইব্যুনালে অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন সাড়ে ১২টার দিকে এ মামলায় গ্রেপ্তার আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় তোলা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত রায় পড়েন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ মামলায় মোট ১৬ আসামির মধ্যে ৮ জন পলাতক। বাকি ৮ জন রায় পড়ার সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২।
এ ঘটনায় শহীদ হয়েছেন সাতজন। তারা হলেন- সাজ্জাদ হোসেন সজল, আস সাবুর, তানজিল মাহমুদ সুজয়, বায়েজিদ বোস্তামী, আবুল হোসেন, ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ শাহাবুল ইসলাম।

গত বছরের ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। সে সময় উপস্থিত আট আসামির সাতজনই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন এসআই শেখ আবজালুল হক। একই বছরের ২ জুলাই প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। অভিযোগের সঙ্গে অন্যান্য তথ্যসূত্র হিসেবে ৩১৩ পৃষ্ঠা, দালিলিক প্রমাণাদি ১৬৮ পৃষ্ঠা ও দুটি পেনড্রাইভ যুক্ত করে প্রসিকিউশন।