ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাভানা ফার্মায় আদনান ইমাম-আনিসুজ্জামানের থাবা ৫৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ চার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ পল্লবীতে দুই শিশুসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে মনোহরগঞ্জে যোগ্যতা ছাড়াই ৯০ দশেক নিয়োগ, আবার একাধিক সরকারি চাকরি! গুম সংক্রান্ত সংরক্ষণী শর্ত প্রত্যাহারের প্রস্তাবে জাতিসংঘের সম্মতি মরদেহ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের দণ্ড জামায়াতের ঘোষিত ২৬ দফা ইশতেহার—বিস্তারিত তথ্য এক নজরে সঙ্গে থাকলে সঙ্গী, না থাকলে জঙ্গি— গোলাম পরওয়ারের তীব্র মন্তব্য কন্যাসন্তানের বাবা হলেন জনপ্রিয় অভিনেতা পলাশ। নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের পদক্ষেপ শুনলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

মরদেহ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের দণ্ড

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

মরদেহ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের দণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শেষ দিন ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনার দায়ে স্থানীয় সাবেক এমপি পলাতক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

NEWS21
NEWS21

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন- আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এফ এম সায়েদ (রনি), সাবেক এসআই আব্দুল মালেক, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা, স্থানীয় যুবলীগ ক্যাডার রনি ভূঁইয়া ও কনস্টেবল মুকুল।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহিল কাফি, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, সাবেক ইন্সপেক্টর আরাফাত হোসেন, সাবেক পরিদর্শক মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান রিপন ও সাবেক পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস।

 

এছাড়া সাবেক এসআই আরাফাত উদ্দিন ও এএসআই কামরুল হাসানকে সাত বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ মামলায় রাজ সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক এসআই শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা করে দিয়েছেন।

ট্রাইব্যুনালে অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন সাড়ে ১২টার দিকে এ মামলায় গ্রেপ্তার আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় তোলা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত রায় পড়েন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ মামলায় মোট ১৬ আসামির মধ্যে ৮ জন পলাতক। বাকি ৮ জন রায় পড়ার সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২।
এ ঘটনায় শহীদ হয়েছেন সাতজন। তারা হলেন- সাজ্জাদ হোসেন সজল, আস সাবুর, তানজিল মাহমুদ সুজয়, বায়েজিদ বোস্তামী, আবুল হোসেন, ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ শাহাবুল ইসলাম।

গত বছরের ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। সে সময় উপস্থিত আট আসামির সাতজনই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন এসআই শেখ আবজালুল হক। একই বছরের ২ জুলাই প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। অভিযোগের সঙ্গে অন্যান্য তথ্যসূত্র হিসেবে ৩১৩ পৃষ্ঠা, দালিলিক প্রমাণাদি ১৬৮ পৃষ্ঠা ও দুটি পেনড্রাইভ যুক্ত করে প্রসিকিউশন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নাভানা ফার্মায় আদনান ইমাম-আনিসুজ্জামানের থাবা

মরদেহ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের দণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শেষ দিন ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনার দায়ে স্থানীয় সাবেক এমপি পলাতক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

NEWS21
NEWS21

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন- আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এফ এম সায়েদ (রনি), সাবেক এসআই আব্দুল মালেক, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা, স্থানীয় যুবলীগ ক্যাডার রনি ভূঁইয়া ও কনস্টেবল মুকুল।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহিল কাফি, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, সাবেক ইন্সপেক্টর আরাফাত হোসেন, সাবেক পরিদর্শক মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান রিপন ও সাবেক পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস।

 

এছাড়া সাবেক এসআই আরাফাত উদ্দিন ও এএসআই কামরুল হাসানকে সাত বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ মামলায় রাজ সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক এসআই শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা করে দিয়েছেন।

ট্রাইব্যুনালে অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন সাড়ে ১২টার দিকে এ মামলায় গ্রেপ্তার আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় তোলা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত রায় পড়েন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ মামলায় মোট ১৬ আসামির মধ্যে ৮ জন পলাতক। বাকি ৮ জন রায় পড়ার সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২।
এ ঘটনায় শহীদ হয়েছেন সাতজন। তারা হলেন- সাজ্জাদ হোসেন সজল, আস সাবুর, তানজিল মাহমুদ সুজয়, বায়েজিদ বোস্তামী, আবুল হোসেন, ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ শাহাবুল ইসলাম।

গত বছরের ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। সে সময় উপস্থিত আট আসামির সাতজনই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন এসআই শেখ আবজালুল হক। একই বছরের ২ জুলাই প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। অভিযোগের সঙ্গে অন্যান্য তথ্যসূত্র হিসেবে ৩১৩ পৃষ্ঠা, দালিলিক প্রমাণাদি ১৬৮ পৃষ্ঠা ও দুটি পেনড্রাইভ যুক্ত করে প্রসিকিউশন।