ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার! সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে বিএনপির টানা ৮ দিনের কর্মসূচি ৭ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি এল ক্ল্যাসিকোতে উৎসবের মেজাজে বার্সা নিয়ামতপুরে উন্নয়ন কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তায় ব্যস্ত দিন বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এর দিনে আমাদের করণীয়

  • Musabbir Khan
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

ইয়া নাবী সালাম আলাইকা, ইয়া রসুল সালাম আলাইকা, ইয়া হাবিব সালাম আলাইকা, সালাওয়া তুল্লাহ আলাইকা। আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অপার নেয়ামত, রাহমাতুল্লিল আলামিন আমাদের প্রিয় নবীজি হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল সোমবার সুবহে সাদিকের সময়, মানবতার মুক্তির দূতের এ পৃথিবীতে শুভাগমনের আনন্দকেই ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’ বলা হয়। যাঁর নুরের আলোয় সারা পৃথিবী আলোকিত হয়েছিল। তাঁর ওপরই আল্লাহতায়ালা নাজিল করেছেন আসমানি গ্রন্থ পবিত্র আল কোরআন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ পৃথিবীতে এসেছেন আল্লাহর পক্ষ থেকে হেদায়েতের আলো হয়ে। হজরত ইরবাদ ইবনে সারিয়াহ (রা.) বর্ণিত, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তখন থেকে আমি আল্লাহর প্রিয় বান্দা ও নবীকুলের সর্বশেষ নবী, যখন আদম (আ.) মাটির সঙ্গে মিশ্রিত ছিলেন। নবীদের মাতারা এভাবেই স্বপ্ন দেখতেন। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাতা তাঁকে প্রসবের সময় এমন এক নুর প্রকাশ পেতে দেখলেন যার আলোয় সিরিয়ার প্রাসাদগুলো দেখা যাচ্ছিল। (তাবারানি, হাদিস নম্বর-১৫০৩৩, সহিহ ইবনু হিব্বান, হাদিস নম্বর-৬৪০৪)। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমনের উৎসব আল কোরআন দ্বারা স্বীকৃত। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে রসুল! আপনি বলুন- তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়াপ্রাপ্ত হয়ে আনন্দ প্রকাশ কর। এটি উত্তম সেই সমুদয় থেকে যা তারা সঞ্চয় করেছে।’ (সুরা ইউনুস-৫৮)। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.)-এর মতে, এখানে ফজল ও রহমত দ্বারা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শুভাগমন উদ্দেশ্য। আল্লাহতায়ালা প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সারা বিশ্বের মহাবিশ্বের রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছেন। তাহলে আমরা বুঝলাম নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শুভ আগমনই হলো ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘হে নবীজি আমি তো আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা আল-আম্বিয়া)

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সেগুনবাগিচায় শিশুদের বৈশাখী উৎসব; কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল মায়েদের হাতে উঠল পুরস্কার!

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এর দিনে আমাদের করণীয়

আপডেট সময় : ০৪:৪২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইয়া নাবী সালাম আলাইকা, ইয়া রসুল সালাম আলাইকা, ইয়া হাবিব সালাম আলাইকা, সালাওয়া তুল্লাহ আলাইকা। আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অপার নেয়ামত, রাহমাতুল্লিল আলামিন আমাদের প্রিয় নবীজি হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল সোমবার সুবহে সাদিকের সময়, মানবতার মুক্তির দূতের এ পৃথিবীতে শুভাগমনের আনন্দকেই ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’ বলা হয়। যাঁর নুরের আলোয় সারা পৃথিবী আলোকিত হয়েছিল। তাঁর ওপরই আল্লাহতায়ালা নাজিল করেছেন আসমানি গ্রন্থ পবিত্র আল কোরআন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ পৃথিবীতে এসেছেন আল্লাহর পক্ষ থেকে হেদায়েতের আলো হয়ে। হজরত ইরবাদ ইবনে সারিয়াহ (রা.) বর্ণিত, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তখন থেকে আমি আল্লাহর প্রিয় বান্দা ও নবীকুলের সর্বশেষ নবী, যখন আদম (আ.) মাটির সঙ্গে মিশ্রিত ছিলেন। নবীদের মাতারা এভাবেই স্বপ্ন দেখতেন। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাতা তাঁকে প্রসবের সময় এমন এক নুর প্রকাশ পেতে দেখলেন যার আলোয় সিরিয়ার প্রাসাদগুলো দেখা যাচ্ছিল। (তাবারানি, হাদিস নম্বর-১৫০৩৩, সহিহ ইবনু হিব্বান, হাদিস নম্বর-৬৪০৪)। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমনের উৎসব আল কোরআন দ্বারা স্বীকৃত। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে রসুল! আপনি বলুন- তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়াপ্রাপ্ত হয়ে আনন্দ প্রকাশ কর। এটি উত্তম সেই সমুদয় থেকে যা তারা সঞ্চয় করেছে।’ (সুরা ইউনুস-৫৮)। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.)-এর মতে, এখানে ফজল ও রহমত দ্বারা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শুভাগমন উদ্দেশ্য। আল্লাহতায়ালা প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সারা বিশ্বের মহাবিশ্বের রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছেন। তাহলে আমরা বুঝলাম নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শুভ আগমনই হলো ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘হে নবীজি আমি তো আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা আল-আম্বিয়া)