মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন

নারায়ণগঞ্জে পাসপোর্ট দালালের দূরত্ব বেড়ে চলেছে হয়রানির শিকার পাসপোর্ট গ্রাহকরা

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২

নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে এসে দালালের খপ্পরে পড়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ উঠেছে গত /১৫/৭/২০২২/ তারিখে রোজিনা নামে র এক মহিলা পাসপোর্ট বানাতে পাসপোর্ট অফিসে আসেন। আসার পরে দালালের সাথে পরিচয় হয় তখন দালাল গিয়াস উদ্দিন ও তার বড় ছেলে রাব্বি ও তার ছোট ছেলে আদনানসহ মহিলাকে নিয়ে যান পাসপোর্ট অফিসের পশ্চিম পাশে কেএম এস গার্ডেন সিটিতে। সেখানে নিয়ে তাকে বলে ১৫ হাজার টাকা লাগবে আমরা পাসপোর্ট এক সপ্তাহে করে দিব। এই কথা বলে রোজিনার কাছ থেকে রাব্বি টাকা নেন। তারপর পাসপোর্ট বানাইতে দেয়। এক সপ্তাহ পর রোজিনায় রাব্বির কাছে গেলে বলে আপনার থানার নাম ভুল হয়েছে ঠিক করতে ৮ হাজার টাকা লাগবে এই কথা বলে রোজিনার কাছ থেকে আরো ৮ হাজার টাকা নেন। নেওয়ার পর তারপরও সময় মত পাসপোর্ট দিতে পারেনি গত মঙ্গলবার ৮/১০/২০২২/তারিখে রোজিনাকে সাথে করে কে এম এস গার্ডেন সিটিতে নিউজ টোয়েন্টি ওয়ান বাংলা টিভির রিপোর্টার শাহাদাত মিজি রোজিনাকে নিয়ে গঠনাস্থলে জান। সেখানে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের মানুষকে অফিসে পাসপোর্ট করার জন্য নিয়ে আসে। কিন্তু সঠিক মত পাসপোর্ট কেউই পাচ্ছে না এমন অভিযোগ অসংখ্য রয়েছে ভুক্তভোগীরা বলেন। গিয়াস উদ্দিন ও তার ছেলে রাব্বি আমাদেরকে পাসপোর্ট এক সপ্তাহে দিবে বলে নিয়ে আসে কিন্তু পাসপোর্ট এক সপ্তাহ তো দূরের কথা একমাসে ও দিতে পারেনি। সেখানে আরো অনেক দৃশ্য নিউজ টোয়েন্টি ওয়ান বাংলা টিভির ক্যামেরায় ভেসে উঠেছে। কে এম এস গার্ডেন সিটিতে অসংখ্য দালালের অফিস রয়েছে নিউজ টোয়েন্টি ওয়ান বাংলা টিভির ক্যামেরায় অন্যরকম অদৃশ্য। সেখানে দেখা যায় বিভিন্ন সরকারি উদ্যতন কর্মকর্তা তাদের নকল শীল বানিয়ে ধোকা দিয়ে যাচ্ছেন সাধারন মানুষকে। আরো বিভিন্ন দালালদের সাথে কথা বললে জানা যায় আমরা প্রতি পাসপোর্ট এগারো হাজার হাজার করে টাকা নিচ্ছি আমাদের টাকা চলে যায় প্রতি পাসপোর্টে এগার শো টাকা করে পাচ্ছেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা। প্রতিদিন প্রায় ৬০০ পাসপোর্ট এর ফাইল জমা পরে। তাহলে বুঝা গেল ৬০০ ফাইল জমা পড়লে প্রতিদিন ৬ লক্ষ টাকা পাসপোর্ট অফিসে যাচ্ছে। এই টাকা কার পকেটে ঢুকে এ বিষয় পাসপোর্ট অফিসের উদ্যতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে চাইলে উনি কথা বলতে চান না। ক্যামেরা দেখে দালালরা অফিস বন্ধ করে পালিয়ে যানএ বিষয়ে প্রশাসনের উদ্যতন কর্মকর্তার সাথে কথা বললে উনারা বলেন এই মার্কেটে দালালচক্র আছে তা আমরা জানিনা তাদের বিরুদ্ধে আমরা খুব দ্রুতই আইনগত ব্যবস্থা নিব গত কিছুদিন আগেও আপনারা দেখেছেন আমরা ১৬ জন দালাল সদস্যক গ্রেফতার করেছি

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর