শিমরাইল ট্রাফিক পুলিশ বক্সের টিআই সোহরাব মজুমদারের চলছে পরিবহনে বেপরোয়া চাঁদাবাজি,পরিবহন মালিকরা অতিষ্ঠ # পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা ভুক্তভোগীদের #

0
385

শিমরাইল ট্রাফিক পুলিশ বক্সের টিআই সোহরাব মজুমদারের চলছে পরিবহনে বেপরোয়া চাঁদাবাজি,পরিবহন মালিকরা অতিষ্ঠ
# পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা ভুক্তভোগীদের #

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ঢাকা – চট্রগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের ব্যস্ততম শিমরাইলমোড়ে পরিবহনে চলছে বেপরোয়াভাবে চাঁদাবাজি। সরকারী কিংবা বিরোধী দলের ব্যানারে নয় এ চাঁদাবাজি করছে নারায়ণগঞ্জ শহর যানবাহন নিয়ন্ত্রণ শাখা ট্রাফিক বিভাগের শিমরাইল বক্সের দায়িত্বে থাকা টিআই সোহরাব মজুমদার। ১৩০ টি বাস মিনিবাস কাউন্টার থেকে ( প্রতি কাউন্টার থেকে গড়ে ৫ হাজার টাকা হিসেবে) গত ২ মাসে ১৩ লক্ষাধিক টাকা এবং ৩টি লেগুনা ষ্ট্যন্ড এবং ৪ টি সিএনজি ষ্ট্যন্ড থেকে ১ লাখ করে ২ লাখসহ ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

সেই সাথে আছে আরো রয়েছে গোদনাইলের পদ্ম মেঘনা অয়েল পরিবহনের কাজে নিয়োজিত অর্ধ সহস্রাধিক ট্যাংকলরী, সিদ্ধিরগঞ্জ সাইলো, ও শিমরাইল ট্রাক টার্মিনাল এলাকার অর্ধসহস্রাধিক ট্রাক এবং কয়েক শত পিকাপ থেকেও কয়েক লাখ টাকা মাসোয়ারা পাচ্ছেন টিআই সোহরাব। টিআই সোহরাব এর কোন কাজ নেই সড়কে। শিমরাইল ট্রাফিক পুলিশ বক্সে বসে পরিবহন কাউন্টার মালিকদের ডেকে এনে মাসোয়ারা হিসেবে এ চাঁদা আদায় করছেন।

কোন পরিবহন মালিক কিংবা কাউন্টার মালিক তার দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি কিংবা গড়িমসি করেন তবে সেক্ষেত্রে টিআই সোহরাব সার্জেন্টদের দিয়ে গাড়ির নামে মামলা কিংবা রেকারিং করাচ্ছেন। আসল মজার বিষয় হচ্ছে টিআই সোহরাব মজুমদারের বদলীর অর্ডার হয়েছে গত মাসে। তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে হাইওয়ে বদলী করা হলেও সে চাঁদা কালেকশনের জন্য এখনো সিসি গ্রহন না (রিভারসাল) করে শিমরাইল ট্রাফিক পুলিশ বক্সে বসে বাস মিনিবাস কাউন্টার থেকে চাঁদা আদায় মরিয়া হয়ে উঠেছেন। শিমরাইলমোড়ে, রয়েছে ৪ টি সিএনজি স্ট্যান্ড এবং ৩ টি লেগুনা স্ট্যান্ড। সেখান থেকেও মাসে লক্ষ টাকা করে মাসোয়ারা আদায় করেছেন। শিমরাইলমোড়ে টিআইদের কোন কাজ নেই। আছে শুধু লাখ লাখ টাকা গুনে বুঝে নেওয়ার কাজ। বক্সে বসে প্রতি মাসে কাজের কাজ সার্জেন্টরাই করছেন। অথচ সার্জেন্টদের কোন খাত নেই শিমরাইলমোড়ে।

এ ক সময় পরিবহন গুলো সার্জেন্টরাই দেখা শুনা করতেন। কিন্তু টিআই সোহরাব মজুমদার সার্জেন্টদের কোন হিসেব কিংবা কাউন্টারের মাসোয়ারা না দিয়ে নির্দিষ্ট অংশ টিআই প্রশাসন কামরুল ইসলাম বেগকে দিয়ে সিংহভাগ একাই লুটেপুটে খাচ্ছেন। অথচ নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার শিমরাইল বাস কাউন্টার মালিকদের ডেকে নিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন পুলিশকে কোন টাকা দিবেন না। কিন্তু টিআই সোহরাব মজুমদার কোন খুঁটির জোরে বাস কাউন্টার থেকে প্রকাশ্যে পুলিশ বক্সে বসে চাঁদা আদায় করে নিচ্ছেন। টিআই সোহরাব মজুমদার হাইওয়ে বদলীর অর্ডার হলেও সে শিমরাইল পুলিশ বক্সে বসে বাস কাউন্টার মালিকরা এখনো যে কজন বাকি আছে তাদেরকে দ্রুত চাঁদা পরিশোধ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে টিআই সোহরাব মজুমদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here