February 2, 2023, 12:27 am

বিমানে একের পর এক অঘটন, অবহেলা নাকি অদক্ষতা?

ডেস্ক :
  • আপডেট সময় Thursday, July 21, 2022
  • 192 বার পড়া হয়েছে

# সাত মাসে ৭ সংঘর্ষ-ত্রুটি ধরা পড়ে। এরপরও তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বিমান
# হ্যাঙ্গারে ধাক্কা লেগে উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মতো ঘটনা বিশ্বে বিরল
# হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিকবার এমনটি ঘটেছে
# কারও কারণে উড়োজাহাজের ক্ষতি হলে বড় ধরনের শাস্তি দেওয়ার নজিরও নেই

গত সাত মাসে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজে বেশ কয়েকটি অঘটন ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে হ্যাঙ্গারে এক উড়োজাহাজের সঙ্গে আরেক উড়োজাহাজের ধাক্কা, বোর্ডিং ব্রিজ না খুলে উড়োজাহাজ পার্কিংয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। এছাড়া ফ্লাইটে ওভার পাওয়ার ব্যবহার করে ইঞ্জিন বিকল, উইন্ডশিল্ডে ফাটল, উড্ডয়নের সময় ইন্ডিকেটরে ত্রুটি- এমন ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু এসব অব্যবস্থাপনা বা ত্রুটি রোধে তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি সংস্থাটি। ফলে কিছুদিন পরপরই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বিমান।

 বিমানে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত লোকের অভাব রয়েছে। আমি বিমানে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ঘাটতি পূরণে চেষ্টা করেছি। এতে বিগত সময়ের তুলনায় বিমানে অব্যবস্থাপনা কমেছে। গত কয়েক মাসে বিমানবন্দরে যে কয়েকটা ঘটনা ঘটেছে, সবগুলোরই তদন্ত হয়েছে। কিছু তদন্ত এখনো চলছে। যাদের দায়িত্ব অবহেলার কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাদের অনেককেই চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

উড়োজাহাজ সবচেয়ে মূল্যবান বাহন। অথচ গত কয়েক মাসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিকবার এক উড়োজাহাজের সঙ্গে আরেক উড়োজাহাজের ধাক্কা বা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একাধিক উড়োজাহাজের ডানা ভাঙার ঘটনা ঘটে। অথচ এটির রক্ষণাবেক্ষণ খুব সাবধানতার সঙ্গে করার কথা। হ্যাঙ্গারে ধাক্কা লেগে উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মতো ঘটনাও বিশ্বে বিরল।

পরপর ঘটে যাওয়া বিমানের এমন ঘটনা নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। হযরত শাজজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টদের অনেকের প্রশ্ন, বিমানের এসব অঘটন দায়িত্ব অবহেলা নাকি অদক্ষতা?

তবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব ঘটনায় উড়োজাহাজের পাইলট, প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের অবহেলা এবং অদক্ষতা অনেকাংশে দায়ী। প্রতিটি ঘটনার পরপরই দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অনেককেই চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও কেন উড়োজাহাজে এমন অঘটন ঘটছে? তার কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রশাসন বিভাগ সূত্র জানায়, গত তিন মাসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে দুটি উড়োজাহাজের মধ্যে ধাক্কার ঘটনা ঘটে দুবার। এর মধ্যে গত ৩ জুলাই রাতে হ্যাঙ্গারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজের সংঘর্ষ হয়। সিঙ্গাপুর থেকে বিমানের ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজটি ওই রাতে ঢাকায় আসে। যাত্রী নামিয়ে রাত ৯টার দিকে এটিকে যখন হ্যাঙ্গারে নেওয়া হচ্ছিল, তখন আগে থেকেই হ্যাঙ্গারে থাকা বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজের ডানায় ধাক্কা লাগে। এতে ৭৮৭ উড়োজাহাজের ডান পাশের ডানা এবং ৭৩৭ উড়োজাহাজের বাঁ পাশের ডানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 এসব ঘটনায় উড়োজাহাজের পাইলট, প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের অবহেলা এবং অদক্ষতা অনেকাংশে দায়ী। প্রতিটি ঘটনার পরপরই দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অনেককেই চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও কেন উড়োজাহাজে এমন অঘটন ঘটছে?- তার কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনার পর চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিমান। ওই কমিটির প্রাথমিক সুপারিশ অনুযায়ী গত ৭ জুলাই মুখ্য প্রকৌশলীসহ তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন মুখ্য প্রকৌশলী মো. হারুন-উর-রশিদ চৌধুরী, প্রকৌশল কর্মকর্তা শাহ হক নেওয়াজ ও জুনিয়র টেকনিক্যাল কর্মকর্তা নুরুল আলম। এছাড়া সংঘর্ষের ওই ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার।

গত ১৬ জুন বিমানবন্দরে বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনার শিকার হয়। ওই উড়োজাহাজটি বিকেলে ৪ নম্বর বোর্ডিং গেটে যাত্রী নামায়। এরপর ওইদিন উড়োজাহাজটির আর কোনো ফ্লাইট ছিল না। সাধারণত কোনো উড়োজাহাজের ফ্লাইট না থাকলে সেটিকে দরজা বন্ধ করে বোর্ডিং ব্রিজ থেকে আলাদা করা হয়। এজন্য পুশব্যাক (পেছনে ধাক্কা দিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে যাওয়া) করে উড়োজাহাজটি পার্কিংয়ের জায়গায় নেওয়া হয়। কিন্তু ওইদিন দরজা বন্ধ না করেই এবং বোর্ডিং ব্রিজের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা ছাড়াই উড়োজাহাজটির পুশব্যাক শুরু করেন পাইলট। এতে উড়োজাহাজের দরজার সঙ্গে বোর্ডিং ব্রিজের টান লাগে। তখন বিমানবন্দরে হইচই শুরু হয়।

এর আগে গত ৪ জুন রাতে পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বিমানের একটি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজকে ধাক্কা দেয় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি গ্রাউন্ড সাপোর্ট ইকুইপমেন্ট (জিএসই)। ওই ধাক্কার পর বিমানের উড়োজাহাজটির উড্ডয়ন বন্ধ রাখা হয়।

বিমানের জনসংযোগ বিভাগ সূত্র জানায়, ওইদিন ঘটনার সময় উড়োজাহাজটি বে এরিয়ায় অপেক্ষমাণ ছিল। তখন ইউএস–বাংলার একটি জিএসই ট্রলি (মালামাল নেওয়ার গাড়ি) বিমানের উড়োজাহাজটি ধাক্কা দেয়। এতে উড়োজাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটিকে গ্রাউন্ডেড করা হয়। পরদিন উড়োজাহাজটির চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে উড়াল দেওয়ার কথা ছিল। পরে ক্ষতিগ্রস্ত উড়োজাহাজটি মেরামত করে বোয়িং কোম্পানি। এতে যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তা বহন করেছে ইউএস–বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, কত টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে, কবে থেকে আবার উড়োজাহাজটি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করছে- এসব বিষয়ে জানা যায়নি।

গত ৪ জুনের ওই ঘটনার পর বিমানের প্রধান প্রকৌশলী কায়সার জামান এবং উপমহাব্যবস্থাপকের (জিএসই-মেইনটেন্যান্স) সমন্বয়ে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্তকাজ শেষ করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি বিমান।

এছাড়াও গত ১০ এপ্রিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে (উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের স্থান) একটি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ বের করার সময় আগে থেকে সেখানে থাকা আরেকটি বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজকে ধাক্কা দেয়। এ সময় দুটি উড়োজাহাজই বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজের সামনের অংশে থাকা আবহাওয়া বার্তা ধরার যন্ত্র ভেঙে যায়। বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজের লেজের হরাইজন্টাল স্ট্যাবিলাইজার ভেঙে যায়।

ওই ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। পরে গত ১১ মে বিমানের প্রধান প্রকৌশলীসহ পাঁচজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তারা হলেন বিমানের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল ইসলাম, প্রকৌশলী মো. মাইনুল ইসলাম, সৈয়দ বাহাউল ইসলাম, সেলিম হোসেন খান এবং জিএসই অপারেটর মো. হাফিজুর রহমান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মকর্তা বলেন, এখন বিমানে ২১টি উড়োজাহাজ রয়েছে। তার মধ্যে ১৮টি নিজস্ব এবং তিনটি লিজ নেওয়া। এসব উড়োজাহাজ পরিচালনায় জনবল সংকট ও কর্মীদের প্রশিক্ষণের অভাব রয়েছে। বিশেষ করে যারা রক্ষণাবেক্ষণ বা গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সার্ভিসে কাজ করেন, তারা অনেকেই প্রশিক্ষিত নন। এছাড়া কাজের সময় তদারকির অভাব রয়েছে। ফলে উড়োজাহাজ গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং করার সময় যেসব নিয়ম বা প্রটোকল মানতে হয়, সেগুলো তারা ঠিকমতো মানেন না। আবার কারও কারণে উড়োজাহাজের ক্ষতি হলে বড় ধরনের শাস্তি দেওয়ার নজিরও নেই।

বিমানে একের পর এক অঘটন, অবহেলা নাকি অদক্ষতা?

কলকাতা বিমানবন্দরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চার ঘণ্টা রানওয়েতে আটকে ছিল বিমান

এদিকে গত ১ ফেব্রুয়ারি বিমানের ড্যাশ-৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজ আকাশতরীর ফ্লাইটে ওভার পাওয়ার ব্যবহার করেন পাইলট। এতে আকাশতরীর দুটি ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একই মাসে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে ফেরার সময় বোয়িং ৭৩৭ এর উইন্ডশিল্ডে ফাটল দেখা দেয়।

সবশেষ ১৮ জুলাই রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে ভারতের কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়নের সময় বিজি-৩৯৬ ফ্লাইটের উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। এতে প্রায় চার ঘণ্টা উড়োজাহাজটি রানওয়েতে আটকে ছিল। এ সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েন উড়োজাহাজে থাকা ১৫৮ যাত্রী। পরে ত্রুটি সারিয়ে রাত ১টা ৩৪ মিনিটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে উড়োজাহাজটি।

ওই উড়োজাহাজের যাত্রী ছিলেন শওকত হোসেন। তিনি বলেন, উড়োজাহাজে প্রায় চার ঘণ্টা এসি বন্ধ ছিল। এতে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন যাত্রীরা। এর মধ্যে একজন যাত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে নিরাপদে রাত ১টা ৩৪ মিনিটে ঢাকায় অবরণ করে উড়োজাহাজটি।

বিজি-৩৯৬ ফ্লাইটের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার  বলেন, উড়োজাহাজটি উড্ডয়নের আগ মুহূর্তে পেছনের ইন্ডিকেটরে ত্রুটি দেখা দেয়। তখন উড়োজাহাজটি রানওয়ের কাছে রেখে ত্রুটি খুঁজতে থাকেন কলকাতা বিমানবন্দরের প্রকৌশলীরা। এ কাজের জন্য বিমানের এসিসহ অন্যান্য ইঞ্জিন বন্ধ রাখা হয়। এক ঘণ্টা পর ত্রুটি কাটিয়ে উড্ডয়নের প্রস্তুতি নেয় উড়োজাহাজটি। তখন আবার একই ত্রুটি ধরা পড়ে। কিন্তু এই ত্রুটি ঠিক করতে কত সময় লাগবে, তা বলতে পারেননি প্রকৌশলীরা। এতে গরমে যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।

বিমানে একের পর এক অঘটন, অবহেলা নাকি অদক্ষতা?

শাহজালালের হ্যাঙ্গার পরিদর্শনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী

বিমানের নানা অব্যবস্থাপনায় কিছুদিন পরপর ছোটবড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এটি বন্ধ হচ্ছে না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তাহেরা খন্দকার বলেন, প্রতিটি ঘটনার পরই তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিমান। কারও দায়িত্বে অবহেলা দেখলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

গত ১৩ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) পদ থেকে আবু সালেহ মোস্তফা কামালকে বদলি করা হয়েছে। তার জায়গায় নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন অতিরিক্ত সচিব মো. যাহিদ হোসেন। তবে তিনি এখনো বিমানে দায়িত্ব বুঝে নেননি।

জানতে চাইলে আবু সালেহ মোস্তফা কামাল জাগো নিউজকে বলেন, বিমানে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত লোকের অভাব রয়েছে। আমি বিমানে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ঘাটতি পূরণে চেষ্টা করেছি। এতে বিগত সময়ের তুলনায় বিমানে অব্যবস্থাপনা কমেছে।

তিনি বলেন, গত কয়েক মাসে বিমানবন্দরে যে কয়েকটা ঘটনা ঘটেছে, সবগুলোরই তদন্ত হয়েছে। কিছু তদন্ত এখনো চলছে। যাদের দায়িত্ব অবহেলার কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাদের অনেককেই চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এখন নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও সুন্দরভাবে বিমান পরিচালনা করবেন বলে আশা করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর